কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম চার লক্ষ টাকা দিয়ে জমি ক্রয় করলেও দলিল না দিয়ে ক্রেতাকে উল্টো হুমকি দেওয়া অভিযোগ উঠেছে জমির মালিক বাচ্চু মিয়া,আবুল কাশেম,লালন মিয়া,জারু মিয়ার বিরুদ্ধে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ২০১৮ সালে উপজেলা বাঙ্গালপাড়া ইউনিয়নে ওসমানপুর গ্রামের হানিফ মিয়ার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম একই এলাকার বাচ্চু মিয়া,আবুল কাশেম,লালন মিয়া,জারু মিয়ার কাছে চার লক্ষ টাকা দিয়ে বাড়ির জমি ক্রয় করলেও সাফ কবলা দলিল করা হয় নাই।
ভুক্তভোগী মনোয়ারা বেগম বলেন,স্থানীয় লোকজন ও চারজন অংশীদার কে সাথে নিয়ে আড়াই শতাংশ জায়গা চার লক্ষ টাকা মূল্য সাব্যস্ত করিয়া চুক্তিনামা দলিলটি সম্পাদন করা হয়। ৭বছর ধরে ঘর বেধেঁ বসবাস করে আসছি। বাচ্চু মিয়া গংদের কাছে সাফ কবলা দলিল চাইলে আমাকে ঘর ভেঙে নেওয়ার জন্য হুমি দেয়। এছাড়াও বলেন তোদের কাছে জায়গা বিক্রি করি নাই তদের কেউ থাকলে আমার কাছ থেকে জায়গার নিতে আসতে বলিস।
অভিযুক্ত বাচ্চু মিয়া বললেন আমরা চার লক্ষ টাকা দিয়ে জায়গা বিক্রি করি নাই মনোয়ারা বেগম মিথ্যা কথা বলছে। আমরা দুই লক্ষ টাকা দিয়ে জায়গা বিক্রি করছি আমাদেরকে টাকা দেয়া হইছে এক লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা ২৫ হাজার টাকা দেবে সাফ কবলা দলিল হওয়ার পর কথা ছিল। এখন মনোয়ারা একটি নকল কাগজ দিয়ে আমাদেরকে বলছে চার লক্ষ টাকা বিনিময়ে আমরা আড়াই শতাংশ জায়গা বিক্রি করছি।
স্থানীয় বাসিন্দারা বললেন, মনোয়ারা ৭বছর আগে চার লক্ষ টাকা দিয়ে জায়গাটি ক্রয় করেন। কিন্তু দলিল দেয়নি এখন দলিলের কথা বললেই উনাকে মারতে আসে বাচ্চু মিয়া গংরা
ওসমান পুর ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন বললেন,আমি জানি মনোয়ারা বেগম চার লক্ষ টাকা দিয়ে বাচ্চু মিয়া গংদের কাছ থেকে আড়াই শতাংশ বাড়ির জমি ক্রয় করেন। মনোয়ারা আমাদের গ্রামের একজন অসহায় ব্যক্তি উনার সাথে এরকম করাটা ওনাদের ঠিক হয়নি।
বাঙ্গালপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান রুস্তম মুটো ফোনে সাংবাদিকদের বলেন,আমি এই বিষয়টা শোনেছি দুপক্ষের সাথে আলোচনা করে যত দ্রুত সম্ভব মীমাংসা করে দিব।