শরীয়তপুর গোসাইরহাটে এক বসত বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় নারীসহ ২জন আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এসময় ঘরে থাকা এক নারিকে কুপিয়ে জখম করে ও আরো দুইজন সদস্যকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত পা বেধে আসবাবপত্র তছনছ করে ডাকাত দল। দুইঘন্টা সময়ের ঐ ঘরে নৃশংসতা চালায় ডাকাতরা। তাদের মধ্যে সবাই ইয়াং ছিলো বলে জানায় ভুক্তভোগী পরিবার।
শুক্রবার (২৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত পোনে ১১টার দিকে উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের পুর্ব মাছুয়াখালী গ্রামের আলতাফ তালুকদারের বাড়িতে এ ঘটনায় ঘটে। ডাকাতরা নগদ ৪৪ হাজার টাকা, একটি স্বর্ণের কানের রিং, আড়াইভরি রুপার চেইন ও মোবাইল ফোন নিয়ে যায়।
এদিকে শনিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন শরীয়তপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(গোসাইরহাট সার্কেল) মো.শামসুল আরেফীন ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল ইসলাম।
ডাকাতদের হামলায় আহত হয়েছেন। আলতাফ তালুকদার ও সাফিয়া বেগম(৫০) আহত হয়ে খরমধ্যে সাফিয়া বেগম গুরুতর হওয়ায় শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে বলে জানিয়েছে ক্ষতিগ্রস্তরা।
আহত আলতাফ তালুকদার বলেন, রাত পোনে ১১টার দিকে ঘরের দর্জা ভেঙ্গে ১০ থেকে ১২ জন অস্ত্র-ছুরি হাতে ডাকাত দলরা রুমে ঢুকে।এরমধ্যে ৫জন ঘরের বাহিরে অবস্থান নেয়। ঘরে থাকা সকলেক অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। কিছু বুঝে উঠার আগেই তারা আমাকে রশি দিয়ে বেঁধে ফেলে।
ডাকাতরা দর্জা খুলে ঘরে ঢুকে আমার স্ত্রীকে ছুরিকাঘাত করে লোহার রড দিয়ে মাথায় ও হাতে আঘাত করে। আমাদের চিৎকারে আমার ছেলের ঘুম থেকে উঠে যায়। পরে তার ওপরও আক্রমণ করে তার অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তার মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে হাত পা বেধে রাখে।
গোসাইরহাট থানার ওসি মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, আমিসহ পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ভুক্তভোগী পরিবার এজাহার দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।