জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাকাউন্টিং ডিপার্টমেন্ট (৯৩-৯৪ ব্যাচ) অ্যাসোসিয়েশন জুয়াডার ২০২৫-২৭ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে রাজধানীর কাওরান বাজারের রেইনি রুফটপে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম বারের মত সরাসরি ভোটে নতুন সভাপতি হয়েছেন মো. হাসান মাসুদ নিপু এবং কোন প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন এস এম জাকারিয়া রিপন।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা এসে মিলিত হওয়ায় স্থানটি পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়।
নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন আখলাক আহম্মেদ। কমিশনে সদস্য সচিব ছিলেন মো. মোবারক হোসেন এবং সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মো. গোলাম মোস্তফা, শাহনেওয়াজ মজুমদার, মো. মনিরুজ্জামান শামীম, খুরশিদ হাসান খান এবং মো. মনিরুজ্জামান মনি।
সাধারণ সম্পাদকসহ বেশ কয়েকটি পদের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হন। এছাড়াও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন মো. ওয়াহিদুজ্জামান। সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মিসেস রাশিদা পারভীন এবং মো. আব্দুল হালিম শাওন।
শুক্রবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে শুধুমাত্র একাধিক প্রার্থী থাকায় সভাপতি পদে ভোটগ্রহণ হয়। এ পদে প্রতিদ্বন্দিতা করেন মো. হাসান মাসুদ নিপু ও খন্দকার মো.শরীফুল ইসলাম (চঞ্চল)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার আখলাক আহম্মেদ বিকেল ৫টায় ফলাফল ঘোষণা করেন। মোট ভোটার ছিলেন ৩২৮, এর মধ্যে ২০১টি ভোট কাষ্ট হয় তন্মধ্যে ১৩৩ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন মো. হাসান মাসুদ নিপু। তার প্রতিদ্বন্দী চঞ্চল পান ৬৮ ভোট।
নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। ব্যাচমেটদের উপস্থিতি, সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ এবং দীর্ঘদিন পর সহপাঠীদের মিলন পুরো নির্বাচনকে উৎসবমুখর করে তোলে। অনেক শিক্ষার্থী জানান, নির্বাচন শুধু নেতৃত্ব নির্বাচন নয় এটি ছিল পুরনো স্মৃতি রোমন্থন এবং বন্ধুত্ব পুনরুজ্জীবিত করার সূবর্ণ একটি সুযোগ।
বিজিত প্রার্থী খন্দকার মো.শরীফুল ইসলাম (চঞ্চল) বলেন, নির্বাচনে জয় পরাজয় থাকবে, জুয়াডাকে নির্বাচনমুখী করাই ছিল আমার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, বিজয়ী বন্ধুর প্রতি আমার শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা রইল।
নির্বাচিত সভাপতি হাসান মাসুদ নিপু বলেন, “ব্যাচের ঐক্য, সৌহার্দ্য এবং সংগঠনের উন্নয়নই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য। এখানে জয়-পরাজয় বলে কিছু নেই, দিনশেষে আমরা সবাই বন্ধু। জয় হোক জুয়াডার, জয় হোক বন্ধুত্বের।
নতুন কমিটি ব্যাচের কল্যাণমূলক কার্যক্রম, নেটওয়ার্কিং এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে কাজ করবে বলে আশা ব্যক্ত করা হয়।