খন্দকার জালাল উদ্দীন : কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় ফিলিপনগর ইউনিয়নের চরসাদীপুর ৫’শ বিঘার মাঠে “মুখবাঁধা অবস্থায় জায়মা পাগলির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ,পুলিশ জানায় এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর মরদেহ মাঠের মধ্যে থেকে উদ্ধার করেছে।
সোমবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে,স্থানীয়রা জানায় তার নাম জাইমা। নিহত জাইমা খাতুন (৫৫) ওই গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দিনের মেয়ে। তিনি স্বামী পরিত্যক্তা ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাঠের মধ্যে মুখবাঁধা অবস্থায় পড়ে থাকা মরদেহ দেখতে পেয়ে তারা থানায় খবর দেন। পরে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এলাকাবাসী জানাই, জায়মা পাগলিকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেছে।🥲সে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের চরসাদীপুর ৫’শ বিঘার মাঠে “জায়মার লাশ মুখ বাঁধা অবস্থায় পড়ে ছিল।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, মরদেহের পায়ে ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং মুখবাঁধা অবস্থায় পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঘাস কাটাকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি এবং একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
তিনি আরও বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। ইতোমধ্যে তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।