• বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫২ অপরাহ্ন
Headline
টুঙ্গিপাড়ায় ১০ কিলোমিটার সড়ক যেন অপরাধের অভয়ারণ্য ইউএনডিপি-জেলা পরিষদের যৌথ প্রকল্প নিয়ে রাঙ্গামাটিতে অবহিতকরণ সভা নওগাঁয় হানিট্র্যাপে সাড়া দিয়ে ফাঁদে চেকের ফাঁদে শিক্ষক, গ্রেপ্তার ৪ কুলিয়ারচরে মেয়র পদে তরুণ নেতা নূরুল ইশরাক-কে চান নাগরিক ও ভক্তবৃন্দরা কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২, মাদক সেবনে সাজা ৫ জনের কুমিল্লায় মাদক উদ্ধারে পুরস্কার পেলেন ব্রাক্ষণপাড়া থানার ওসি ফারুক মাধবপুরে সাবেক মেয়র শাহ মো. মুসলিম গ্রেপ্তার ঠাকুরগাঁওয়ে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার অষ্টগ্রামে আওয়ামী লীগ নেতা মোজতাবা আরিফ খান ডিবি’র হাতে গ্রেপ্তার ভৈরবে জেল পলাতক আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

ভৈরবে ২শ পিস চায়না দুয়ারি জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস

নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশকাল : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
0-3840x2160-0-0-{}-0-12#

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বিভিন্ন হাওরে ও জলাশয়ে দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ এবং মা মাছ ও রেনু পোনা নিধন বন্ধের নিমিত্তে ব্রহ্মপুত্র জলমহলে অভিযান পরিচালনা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে ২শ পিস চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। সোমবার ২৫ আগস্ট সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র জলমহালে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএইচএম আজিমুল হক।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সুত্রে জানা যায়, দেশিয় মাছের প্রজনন বৃদ্ধি করতে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী বা রিং ব্যবহার রোধ করতে কালিকাপ্রসাদ এলাকার ব্রম্মপুত্র নদীতে জলমহালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলানো হয়। অভিযানে প্রায় ছয় লক্ষ টাকার ২শ পিস চায়না দুয়ারি রিং জাল জব্দ করা হয়৷ যার আনুমানিক মুলা ৬ লক্ষাধিক টাকা হতে পারে। জব্দকৃত নিষিদ্ধ জালগুলো পরে মেঘনা নদীর তীরবর্তী স্থানে প্রকাশ্যে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সারোয়ার হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্রহ্মপুত্র নদের ইজারাদার আব্দুর রাজ্জাক শেখসহ ভৈরব নৌ- থানার পুলিশ সদস্যরা।

মৎস অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ব্রহ্মপুত্র জল মহলের ইজারাদার দেয়া হলে একটি কুচক্রী মহল অবৈধভাবে মাছ শিকার করে। ২৫ আগস্ট গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভৈরব উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা দপ্তরের উদ্যোগে ব্রহ্মপুত্র জলমহালে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ বিষয়ে ভ্র্যাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা কমিশনার (ভূমি) বলেন, মাছের প্রজনন বৃদ্ধি ও মাছের পোনা সংরক্ষণে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস অফিস একসাথে কাজ করে যাচ্ছে। ২৫ আগস্ট মৎস অফিসারের বিশেষ তদারকিতে পরিচালিত অভিযানের টিম দেখে জেলেরা জাল ফেলে পালিয়ে যায়। এ সময় প্রায় ৬ লক্ষ টাকার চায়না দোয়ারী রিং জাল জব্দ করা হয়েছে। জালগুলো মেঘনা নদীর ত্রি-সেতু এলাকায় পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে এবং নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার রোধ করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীতে মাঝেমধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় কোন লাভ হবেনা। নিষিদ্ধ জালের উৎপাদন স্থল আর বাজারের বিক্রেতাদের গোদাম চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা নিতে পারলে এমনিতেই এ জালের ব্যাবহার বন্ধ হয়ে যাবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, নদীতে অভিযান না চালিয়ে ভৈরব বাজারের যে সকল ব্যাবসায়ীরা নিষিদ্ধ জাল বিক্রি করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা নেয়া হোক। তারা বিক্রি করে বলেই মানুষ এগুলো ব্যাবহার করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category