গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ‘প্রগতি বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ’-এর নামে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকের ৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সমিতির সভাপতিসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে সি.আর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী মারিয়া বাড়ৈ (৪৮) বাদী হয়ে বিজ্ঞ আমলী আদালত, মুকসুদপুর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৬ (বিশ্বাসভঙ্গ), ৪২০ (প্রতারণা), ১০৯ (সহযোগিতা) ও ৫০৬ (২) (প্রাণনাশের হুমকি) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযুক্ত আসামিরা:
প্রণব হালদার (৪৮) (সভাপতি ও মালিক, প্রগতি বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ) — সাং- বানিয়ার চর, মুকসুদপুর।
চম্পা মন্ডল (৪২) — সাং- বানিয়ার চর, মুকসুদপুর।
রঞ্জন বৈরাগী (৪২) — সাং- বানিয়ার চর, মুকসুদপুর।
কপিল হালদার (৪৫) — সাং- বানিয়ার চর, মুকসুদপুর।
রাজিব বর (৩২) — সাং- কদমবাড়ী, রাজৈর, মাদারীপুর।
মামলার বিবরণ:
মামলার আরজি সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় একটি প্রতারক চক্র গড়ে তুলে সাধারণ মানুষকে প্রগতি বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ (রেজিঃ নং- ৫১/০৯)-এ টাকা বিনিয়োগ করলে মোটা অঙ্কের মুনাফা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আসছিল। বাদী মারিয়া বাড়ৈ তাদের কথায় বিশ্বাস করে তার স্বামীর পেনশনের জমানো টাকা সমিতিতে রাখার সিদ্ধান্ত নেন।
তিনি দুটি সদস্য বইয়ের (বই নং- ১৪৬১ ও ১৪০৭) মাধ্যমে বিভিন্ন দফায় মোট ৮ লক্ষ টাকা জমা রাখেন:
০২/০৮/২০২২: ২,০০,০০০/- (দুই লাখ) টাকা
০৫/০৯/২০ ২০২২: ৪,০০,০০০/- (চার লাখ) টাকা
২২/০২/২০২৩: ১,৫০,০০০/- (এক লাখ ৫০ হাজার) টাকা
১১/০৮/২০২৩: ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা
শুরুতে কিছু দিন মুনাফা দিলেও ০৮/০৮/২০২৩ তারিখের পর থেকে সমিতির কর্মকর্তারা আর কোনো মুনাফা দেননি। একপর্যায়ে সমিতির কার্যালয় বন্ধ করে আসামিরা আত্মগোপন করেন।
পরবর্তীতে বাদী তাদের বসতবাড়িতে গিয়ে জমা রাখা ৮ লক্ষ টাকা ফেরত চাইলে আসামিরা টাকা দেওয়ার কথা অস্বীকার করেন। একই সাথে বাদীকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয় যে, পুনরায় টাকার জন্য আসলে তাকে খুন করে লাশ গুম করে ফেলা হবে।
উপায়ান্তর না পেয়ে ভুক্তভোগী ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা (W/A) জারির প্রার্থনা জানিয়েছেন বাদী।
এ ব্যাপারে গণমাধ্যম কর্মী
অনুসন্ধানে গেলে ভুক্তভোগী রবিন বাড়ই বালক হিরা অভিলস হিরা জানান শুধু আমরা নয় শতাধিক লোকের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে এনজিও টি কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় প্রশাসনের কাছে এদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।