নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব চন্দ্র ভূষণ দে-এর বিরুদ্ধে নাগরিক হয়রানি ও ভোগান্তির অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত পোস্টের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি।
সচিব চন্দ্র ভূষণ দে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত অভিযোগের সঙ্গে তার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। তার বিরুদ্ধে প্রচারিত এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে নিয়ম-কানুন মেনে ইউনিয়ন পরিষদে দায়িত্ব পালন করে আসছি। সেবা নিতে আসা সাধারণ নাগরিকদের যথাসাধ্য সহযোগিতা করার চেষ্টা করি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ প্রচার করা হয়েছে, তার সঙ্গে আমি কোনোভাবেই জড়িত নই। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে হেয় করার অপচেষ্টা।”
তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো অভিযোগ বা তথ্য প্রকাশের আগে বিষয়টির সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে সোনাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন বলেন, “সচিব চন্দ্র ভূষণ দে-এর বিরুদ্ধে ফেসবুকে যেসব তথ্য প্রচার করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি এসব ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন।
নিজাম উদ্দিন আরও দাবি করেন, অভিযোগকারী তার স্ত্রীর মাতৃকালীন ভাতার জন্য পরিষদে আসেন। তার স্ত্রীর নামে আগে ও মাতৃকালীন ভাতা ছিল, এখন আবার ভাতার না করিয়ে দেওয়ার কারণে এবং এলাকার বিভিন্ন লোকের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করতেন। নিয়ম অনুযায়ী তা করতে না পারায় তাকে হুমকি দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে সচিব চন্দ্র ভূষণ দে-এর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
সচিব চন্দ্র ভূষণ দে বলেন, কোনো নাগরিক সেবা নিতে গিয়ে কোনো ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হলে সুনির্দিষ্ট তথ্য, ঘটনা ও প্রমাণসহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করার সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।