• বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৩ অপরাহ্ন
Headline
ঠাকুরগাঁওয়ে মাদকবিরোধী অভিযান, কোডিন ফসফেটসহ গ্রেপ্তার ১ পাঁচবিবিতে ঘরের তীরের সঙ্গে ঝুলছিল কিশোরীর মরদেহ টুঙ্গিপাড়ায় ১০ কিলোমিটার সড়ক যেন অপরাধের অভয়ারণ্য ইউএনডিপি-জেলা পরিষদের যৌথ প্রকল্প নিয়ে রাঙ্গামাটিতে অবহিতকরণ সভা নওগাঁয় হানিট্র্যাপে সাড়া দিয়ে ফাঁদে চেকের ফাঁদে শিক্ষক, গ্রেপ্তার ৪ কুলিয়ারচরে মেয়র পদে তরুণ নেতা নূরুল ইশরাক-কে চান নাগরিক ও ভক্তবৃন্দরা কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২, মাদক সেবনে সাজা ৫ জনের কুমিল্লায় মাদক উদ্ধারে পুরস্কার পেলেন ব্রাক্ষণপাড়া থানার ওসি ফারুক মাধবপুরে সাবেক মেয়র শাহ মো. মুসলিম গ্রেপ্তার ঠাকুরগাঁওয়ে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

হাতিয়ায় মামলাকে ‘ভিত্তিহীন’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন

হানিফ উদ্দিন সাকিব, হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশকাল : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬

নোয়াখালীর হাতিয়ায় সাংবাদিক মো. শফিকুল মাওলা ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলাকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি। একই সঙ্গে মামলাটির নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

গত শনিবার দুপুরে হাতিয়া সুপার মার্কেটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শফিকুল মাওলা বলেন, তিনি জাতীয় দৈনিক আলোকিত সকাল-এর হাতিয়া উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে ১ জানুয়ারি ২০২৬, জে টিভি-এর প্রতিনিধি হিসেবে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এবং দৈনিক মানব বার্তা-র প্রতিনিধি হিসেবে একই তারিখে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি জানান, গত ২০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের একটি কথিত মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে হাতিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে ও তার স্ত্রীকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। তার দাবি, মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, হয়রানিমূলক এবং পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ।

লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, মামলার ২ ও ৩ নম্বর সাক্ষী তার আপন ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রী। তাদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলমান রয়েছে। সেই বিরোধের জের ধরেই তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

শফিকুল মাওলা আরও বলেন, একই বিরোধকে কেন্দ্র করে ২০২৫ সালের ৪ নভেম্বর তার স্ত্রী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে হাতিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন। ওই ঘটনার প্রতিশোধ নিতেই তার বৃদ্ধ ও অসুস্থ মাকে বাদী হিসেবে ব্যবহার করে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, মামলার ৪, ৫, ৬ ও ৭ নম্বর সাক্ষীরা কথিত ঘটনার বিষয়ে কিছুই জানেন না। বরং তারা নিজেরাই এ বিষয়ে অজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন, যা মামলার সত্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে।

বক্তব্য অনুযায়ী, ৪ নম্বর সাক্ষী তাছলিমা বেগম বলেন, “আমি এই মামলার বিষয়ে কিছুই জানি না। আমাকে কারা মামলার সাক্ষী করেছে, তাও জানি না।

৫ নম্বর সাক্ষী ইয়াছমিন বেগম বলেন,আমাকে কেন এই মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে, আমি কিছুই জানি না।

৬ নম্বর সাক্ষী জহির উদ্দিন বলেন, “আমি কিছু দেখিনি, কিছু জানিও না।

এছাড়া ৭ নম্বর সাক্ষী নজরুল চৌকিদার বলেন, “আমাকে তারা যা বলেছে, আমি শুধু তাই শুনেছি। কে কাকে মারছে, আমি কিছুই দেখিনি। আমি তখন আমার বাড়িতেই ছিলাম।

শফিকুল মাওলার দাবি, চারজন সাক্ষীর এমন বক্তব্য স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, মামলাটি বাস্তব ঘটনার ওপর নয়, বরং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সাজানো হয়েছে।

তিনি বলেন, একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করায় একটি মহল ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে তাকে ও তার পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন এবং হয়রানি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

তিনি প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিচার বিভাগের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, মামলাটির নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

সংবাদ সম্মেলনের শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের মাধ্যমে তিনি দেশবাসীর কাছে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা কামনা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category