• বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:৩১ অপরাহ্ন
Headline
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা সন্দ্বীপ উপজেলার মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ফকিরহাটে এনসিপির জুলাই পদযাত্রা ও পথসভায়, হাসনাত আব্দুল্লাহ জেলা পুলিশ, সাতক্ষীরার মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত: সাতক্ষীরায় জেলা সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উৎসব ২০২৬ সন্দ্বীপ থানার ওসি সুজন হালদার শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত সাতক্ষীরা তরুণীর সঙ্গে ভিডিও ভাইরাল,জামায়াত এমপি বললেন দ্বিতীয় স্ত্রী আপনাদের দোয়া ও পরামর্শ নিয়েই বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলবো ,হাসনাত আবদুল্লাহ বাগেরহাটে ব্যানার নিয়ে মিছিলের চেষ্টা ছাত্রলীগের ১৭ কর্মী আটক বৃন্দাবন সরকারি কলেজের নতুন উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম হারুনুর রশীদ ১০ পুলিশ সদস্যের বদলী উপলক্ষে ভৈরব হাইওয়ে থানায় বিদায় সংবর্ধনা ও ক্রেষ্ট প্রদান

হালান্ডের জোড়া গোলে ব্রাজিলের স্বপ্নভঙ্গ, শেষ ষোলো থেকেই বিদায়

মো.শান্ত শেখ,নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশকাল : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতেই থেমে গেল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের যাত্রা। নরওয়ের কাছে ২-১ গোলের পরাজয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে সেলেসাওরা। নরওয়ের জয়ের নায়ক ছিলেন তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড, যিনি জোড়া গোল করে দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলে দেন।

ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল ব্রাজিল। নবম মিনিটে রায়ানের আক্রমণ থেকে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির পাস কুনিয়ার উদ্দেশে বাড়ানো হলে নরওয়ের ডিফেন্ডার তাকে ফাউল করেন। প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রের রেফারি ইসমাইল এলফাত খেলা চালিয়ে যেতে বললেও, পরে ভিএআরের সহায়তায় পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। কিন্তু ব্রুনো গিমারেসের দুর্বল শট সহজেই ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক অরজান নিলান্ড।

পেনাল্টি মিসের ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেনি ব্রাজিল। দ্বিতীয়ার্ধে আর্লিং হালান্ড দুটি গোল করে নরওয়েকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান। ম্যাচের যোগ করা সময়ে নেইমার একটি গোল করে ব্যবধান কমালেও পরাজয় এড়ানো সম্ভব হয়নি।

এই হারে ৩৬ বছরের মধ্যে বিশ্বকাপে সবচেয়ে হতাশাজনক ফল দেখল ব্রাজিল। এর আগে ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে শেষ ষোলোতে বিদায় নিয়েছিল দলটি।

পরাজয়ের পর কোচ কার্লো আনচেলত্তির কৌশল নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। ম্যাচের আগে ব্রুনো গিমারেসকে পেনাল্টি টেকার হিসেবে নির্ধারণ এবং ইনজুরিতে ছিটকে পড়া লুকাস পাকেতার পরিবর্তে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লিকে মাঝমাঠে খেলানোর সিদ্ধান্তকে বড় ভুল হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

স্বাভাবিকভাবে উইঙ্গার হিসেবে খেলা মার্তিনেল্লি মাঝমাঠে নিজের সেরাটা দিতে পারেননি। ফলে ব্রাজিল মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং আক্রমণে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও রায়ানের গতিনির্ভর প্রচেষ্টার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। কয়েকটি সুযোগ তৈরি হলেও সেগুলো গোলের দেখা পায়নি।

নরওয়ের গোলরক্ষক অরজান নিলান্ড ছিলেন ম্যাচের অন্যতম সেরা পারফরমার। পেনাল্টি রুখে দেওয়ার পাশাপাশি ভিনিসিয়ুস, মার্তিনেল্লি ও রায়ানের একাধিক নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট করে দেন তিনি। ৮৫তম মিনিটে নিজের ডিফেন্ডারের আত্মঘাতী শটও অসাধারণ দক্ষতায় পোস্টে লাগিয়ে বিপদমুক্ত করেন।

অন্যদিকে, ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। বাঁ প্রান্ত দিয়ে কয়েকবার আক্রমণ গড়লেও সিদ্ধান্তহীনতা ও সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হওয়ায় দলকে নেতৃত্ব দিতে পারেননি এই ফরোয়ার্ড। পেনাল্টি নেওয়ার দায়িত্ব তাকে না দেওয়ার বিষয়টিও ম্যাচ শেষে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

হালান্ডের দুর্দান্ত নৈপুণ্য ও নরওয়ের সুসংগঠিত ফুটবলের সামনে শেষ পর্যন্ত অসহায় আত্মসমর্পণ করতে হয় ব্রাজিলকে। ফলে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ভেঙে শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হলো সেলেসাওদের।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category