গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার ছোট বনগ্রাম এলাকায় সরস্বতী পূজাকে কেন্দ্র করে মন্দির প্রাঙ্গণে সৃষ্ট অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তীব্র নিন্দা, ঘৃণা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িত উস্কানিদাতা ও দোষীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূজামণ্ডপে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সময় হঠাৎ করে একটি অনভিপ্রেত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যা নিয়ে এলাকায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। তবে বিষয়টি নিয়ে যেন কোনো ধরনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
এ বিষয়ে মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল মামুন বলেন, “এটি কোনো সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বা উস্কানিমূলক ঘটনা নয়। আনুমানিক বিকেল ৩টার দিকে পূজামণ্ডপে সাউন্ড সিস্টেমের সাউন্ড চেক করার সময় তীব্র শব্দ হওয়াকে কেন্দ্র করে মুসলিম ধর্মাবলম্বী কয়েকজন যুবকের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সামান্য গোলযোগের সৃষ্টি হয়।”
তিনি আরও জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মুকসুদপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং পরিবেশ শান্ত রাখে। পূজা কমিটির সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে আলোচনা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ওসি আল মামুন বলেন, “সংবাদ লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা হয়নি। তবে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
তিনি আরও আশ্বস্ত করে বলেন, মুকসুদপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক তদারকি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার রাখা হয়েছে।
এদিকে স্থানীয়রা জানান, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।