মাধবদী থানা এলাকার কাঠালিয়া ইউনিয়নে চার সন্তানের জননীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মাধবদী থানায় অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানাযায়, ঘটনার ৩/৪দিন আগে মোবাইলে পরিচয় হয় এক যুবকের সাথে। পরবর্তীতে ৫মার্চ মাধবদী পৌরসভার মেন্ডাতলা এলাকার কুলসুম বেগম তার মেয়েকে নিয়ে ঈদের শপিং করতে আড়াইহাজার মার্কেটে যায়। এসময় ছেলেটি মোবাইল ফোনে কথা বলার এক পর্যায়ে দেখা করতে চায়। তার কথা মতে সন্ধ্যায় কাঁঠালিয়া ইউনিয়নের খামারদী পদ্মারকান্দা আউয়াল ডাক্তারের মাছের খামারের পুকুর পাড় সংলগ্ন পাকা রাস্তার উপর পৌঁছে ছেলেটির সাথে দেখা করে কথা বলে। কথা বলার এ পর্যায়ে বিয়ের প্রস্তাব দেয়, প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় রাস্তা থেকে খামার সংলগ্ন পুকুর পাড়ের দিকে টেনে নিয়ে যায় এবং পূর্ব হতে পুকুর পাড়ে ওৎ পেতে থাকা আরো অজ্ঞাতনামা ৩ জন ছেলে উক্ত পুকুর পাড়ে ফেলে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষন করে এবং তাদের মধ্য হতে অজ্ঞাতনামা এক আসামী ভিকটিমের ব্যবহৃত রেডমি স্মার্ট মোবাইল ও ভ্যানিটি ব্যাগে থাকা নগদ আটশত টাকা জোড় পূর্বক নিয়ে যায়। আসামীরা ভিকটিমকে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বললে তাৎক্ষনিক দৌঁড়ে পাশেই থাকা একটি পাওয়ার লোম কারখানায় গিয়ে আশ্রয় নেয় এবং তাদের ঘটনার বিষয়টি জানায়। পরবর্তীতে মাধবদী থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত প্রধান আসামি খড়িয়া গ্রামের আবদুল আজিজ এর ছেলে হৃদয় (২৫)কে একই ইউনিয়নের মিল্কিপাড়া শ্বশুর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে।