শিরোনাম :
সখিপুরে ওসিকে ধাক্কা দিয়ে পালালেন ছাত্রলীগ নেতা হবিগঞ্জে ৩২ কেজি ভারতীয় গাঁ’জাসহ মা’দক কা’র’বারি গ্রে’ফ’তার হাতিয়ায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে প্রকৌশলী দিদারুল ইসলাম শিক্ষা ট্রাস্ট রাজশাহীতে মানবাধিকার রক্ষা কমিটির সভাপতি আয়েশা, সম্পাদক ফাতেমা উদ্ভাসিত গোসাইরহাট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ টুঙ্গিপাড়ায় সংবাদ সম্মেলন করে আওয়ামী লীগ নেতার পদত্যাগ হাতিয়া সোনাদিয়া মডেল দাখিল মাদ্রাসায় নবপাঠদান ও অভিভাবক সমাবেশ জাগ্রত দ্বীপ হাতিয়ার ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: গুণীজন সম্মাননা ইংরেজি বক্তৃতায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করলো ভৈরবের মেধাবী ছাত্রী প্রিয়ন্তী নোয়াখালী-৬ আসনে ১১ দলীয় জোটে মনোনয়ন পেলেন হান্নান মাসউদ
রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ন

সখিপুরে ওসিকে ধাক্কা দিয়ে পালালেন ছাত্রলীগ নেতা

মো.সাহেদ আহমেদ, শরীয়তপুর প্রতিনিধি / ৫০ Time View
Update : শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মো: নাজিম উদ্দিন মজুমদারকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়েছেন এক ছাত্রলীগ নেতা।

শনিবার(১৭ জানুয়ারি) বিকালে সখিপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।এসময় ওই ছাত্রলীগ নেতাকে ধরতে গিয়ে বাম হাতের কেনু আঙ্গুলের নখ উঠে যায়। পরে আহতাবস্থায় প্রথমে সাজেদা জব্বার হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন তিনি। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে চিকিৎসা শেষে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

পালিয়ে যাওয়া ছাত্রলীগ নেতা আতিকুল ইসলাম সোমেল সখিপুর থানা ছাত্রলীগ (নিষিদ্ধ সংগঠন) শাখার সভাপতি।সে সখিপুর ইউনিয়নের সরদার কান্দি গ্রামের বাসিন্দা মৃত মজিবুর সরদারের ছেলে।

পুলিশ সুত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরে সখিপুর বাজারে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি বিষয়ে একটি অভিযানে ছিলেন ওসি সহ পুলিশ সদস্যের একটি টিম। প্রাথমিক ভাবে সতর্ক করতে টহল কার্যক্রম চালায় পুলিশ। এসময় ডেভিল হান্ট ফেস ২ এর অভিযান অনুযায়ী ওই ছাত্রলীগের নেতাকে পরিচয় জানতে চান ওসি। পরে কোন উত্তর না দিয়েই ওসিকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায় ছাত্রলীগের নেতা। এসময় তাকে ধরতে গিয়ে ওসির হাতের নখ ভেঙে যায়। সাজেদা জব্বার হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন তিনি। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে চিকিৎসা শেষে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

এ বিষয়ে সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: নাজিম উদ্দিন মজুমদার মুঠোফোনে বলেন, আজ বাজারে খোলা তেল বিক্রির বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করার অভিযানে ছিলাম। পরে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতিকে বাজারের একটি দোকানে দেখলাম। আমাদের দেখে পালানোর চেষ্টা করে। পরে আমি তাকে তার রাজনৈতিক পরিচয় জানতে চাওয়ায় উত্তর না দিয়ে আমাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। কিন্তু আমি ধরার চেষ্টা করতে গিয়ে আমার হাতের কেনু আঙ্গুলের নখ অর্ধেক উঠে যায়। পরে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিয়ে আসছি। বিষয়টি নিয়ে আমার উর্ধতন কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। স্যারদের নির্দেশনা মোতাবেক ব্যাবস্থা নেব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category