কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে ভান্ডা হাওরে একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগে ৪-৫ লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার অলি মাহমুদ ও হরযত আলীর গংদের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (২১নভেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার কাস্তুল ইউনিয়নে ভাতশালা গ্রামে ছাদেক মিয়ার
পুকুরে এঘটনা ঘটে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন গ্রামের অন্য মাছ চাষিরাও
ভুক্তভোগী ছাদেক মিয়া বললেন,পার্শ্ববর্তী বাড়ীর মোতালিব মিয়ার ছেলে অলি মাহমুদ (৩৫)আতর আলীর ছেলে হরযত আলী (৩২)শের আলীর ছেলে আশুক মিয়া(৪৮) আঃ খালেক মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া(৪০)ছরুত আলী ছেলে সালাম(৩৫)গংদের সাথে জমি ও পুকুরের সীমানা নিয়ে কিছু দিন আগে সংঘর্ষ হয়। এই সূত্র ধরে আমাদের পুকুরে বিষ দিয়ে প্রায় চার পাঁচ লক্ষ টাকার মাছ মেরে ফেলেছে তারা। আমরা কয়েকজনে মিলে ১২ লক্ষ টাকা দিয়ে ইজারা এনেছে। এবিষয়ে অষ্টগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।
ভুক্তভোগী ছাদেক মিয়া ব্যবসায়ীক পার্টনার
বাদল মিয়া বলেন,আমরা জমিও পুকুর ইজারা কেন নিয়ে আসলাম অলি মাহমুদ গংদের কেন পার্টনার করি নাই এজন্য আমাদের সাথে এমন করছে আমরা থানায় অভিযোগ করেছি সঠিক বিচারের জন্য মামলা করব।
অভিযুক্ত অলি মাহমুদ,হযরত আলী গংরা বলেন,আমরা কয়েকজন মিলে কোম্পানি রুহুল এর জমি ও ফিশারি ইজারা এনেছি। কিছু আগে ফিশারির জমি নিয়ে বিবাধে ছাদেক মিয়া লোকজন আমাদের উপর হামলা করে। রাতের আধাঁরে কে-বা কাহারা তাদের পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ মেরে ফেলেছে। এঘটনায় আমাদের নামে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন ছাদেক মিয়া। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।সেই যারা এই কাছ করেছে পুলিশ যেন তদন্তের মাধ্যমে বিচারের আওতায় নিয়ে আসে।
স্হানীয়রা বলেন,হযরত আলী লোকজন নিয়ে যখন ভান্ডা হাওরে আসে তখন আমরা দেখেছি। কিন্তু বিষ দিয়ে কারা পুকুরের মাছ মেরে ফেলেছে আমরা দেখি নাই। সকালে দেখি আকাশে অনেক কাক-সিল উড়ছে কাছে এসে দেখি প্রচুর মাছ মরে ভেসে উঠেছে। অনেক গাড়ির ড্রাইভার ও কৃষকরা মাছ বস্তায় বেগে করে নিয়ে যাচ্ছে।
কাস্তুল ইউনিয়ন ভাতশালা গ্রামের ২নং ওয়ার্ড মেম্বার বলেন, জমি নিয়ে আগে থেকেই ছাদেক মিয়া ও অলি মাহমুদ, হযরত আলী গংদের মাঝে দু-পক্ষ সংঘর্ষ হয়েছিল। সাদেক মিয়ার পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ মেরে ফেলার বিষয়টা আমাদের জানালে সরজমিনে গিয়ে দেখি প্রায় অনেক টাকার মাছ মরে পড়ে আছে।
অষ্টগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন বলেন,এঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।