• রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ন
Headline
Migliori quote Serie A su Riverspin per scommesse live ogni weekend কক্সবাজারের রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃ’ত্যু,রেস্টুরেন্ট ম্যানেজার গ্রেপ্তার বেলাবোতে ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী রশিদুল ইসলাম লাল মিয়ার নির্বাচনী পথসভা পানছড়ি সীমান্তে এসএমজি ও ১শত রাউন্ড গুলি উদ্ধার সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ হ’ত্যার প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মানববন্ধন ভৈরবে ক্রয়কৃত জমি দখলে বাধা, ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর চুনারুঘাটের এএসআই প্রত্যাহার পানছড়িতে স্যাম ইউনিটের চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর ভৈরবে বাড়ির আঙ্গিনা থেকে সিঙ্গাপুর প্রবাসীর হাত-পা বাঁ’ধা লা/শ উদ্ধার সারাদেশে নৈরাজ্যের প্রতিবাদে পানছড়িতে বিএনপির বিক্ষোভ

জিয়ার ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীতে গোবিপ্রবি শিক্ষক ফোরামের শ্রদ্ধা

মো. শান্ত শেখ,নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশকাল : শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তিনি শুধু একজন সেনানায়ক ও রাষ্ট্রপ্রধানই নন, বরং স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক রূপান্তরের এক মুখ্য চরিত্র।

১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে চট্টগ্রাম থেকে ‘স্বাধীনতার ঘোষণা’ দিয়ে তিনি ইতিহাসে জায়গা করে নেন। এই ঘোষণার তাৎপর্য ছিল তখনকার সময়ে জনমনে সাহস ও আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তোলা। তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের (স্বাধীনতাযুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রথম একটি সম্পূর্ণ ব্রিগেড) অধিনায়ক ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত হন।

রাষ্ট্রক্ষমতায় তাঁর আগমন ঘটে ১৯৭৫-পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষিতে। সেনাবাহিনীর এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা থেকে রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তাঁর উত্তরণ ছিল যেমন আকস্মিক, তেমনি প্রভাববিস্তারকারী। তিনি অর্থনৈতিক উদারীকরণ, গ্রামভিত্তিক উন্নয়ন এবং সামরিক শৃঙ্খলার প্রতি জোর দিয়েছিলেন।

১৯৭৭ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি হন এবং ১৯৭৮ সালের ১লা সেপ্টেম্বর রাজনৈতিক দল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক ধারায় জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রবর্তন করেন। তিনি ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ ধারণার মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়ের নতুন একটি দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেন, যা অনেকের কাছে স্বাধীনতা-পরবর্তী রাষ্ট্রচিন্তার একটি ভিন্নধর্মী রূপ হিসেবে বিবেচিত।

১৯৮১ সালের ৩০ মে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে তাঁর হত্যাকাণ্ড দেশকে ফের অস্থিরতার দিকে ঠেলে দেয়। তাঁর মৃত্যু আজও একটি বেদনাবিধুর অধ্যায় হিসেবে ইতিহাসে চিহ্নিত। এই হঠাৎ বিদায় কেবল বেদনার জন্ম দেয়নি পুরো জাতিকে করেছিল দিকভ্রান্ত।

জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গভীর ছাপ রেখে গেছেন। তাঁর গৃহীত নীতিমালা ও আদর্শের জন্য তাঁর শাসনামল বাংলাদেশের এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনকাল হিসেবে ভবিষ্যৎ গবেষণা ও মূল্যায়নের উপযোগী একটি অধ্যায় হয়ে থাকবে।

৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই এবং তার বেহেশত কামনা করে প্রার্থনা মহান আল্লাহর দরবারে।
:
ড. রবিউল ইসলাম
আহ্বায়ক
ফাতেমা খাতুন
সদস্য সচিব
গোবিপ্রবি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category