ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইলে বিয়ের অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশনের কথা বলে দুই নৃত্যশিল্পীকে মাঝনদীতে নিয়ে দলবদ্ধ ভাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় করা মামলায় শান্ত বিশ্বাস (১৯) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রোজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সরাইল ও নাসিরনগর উপজেলার মাঝামাঝি তিতাস নদীতে এ ঘটনা ঘটে বলে পুলিশের সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সরাইলের শাহবাজপুর গ্রামের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশনের জন্য কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার এক তরুণ নৃত্যশিল্পীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন শাহবাজপুর গ্রামের রাকিব মিয়া (২২)। তিন নৃত্যশিল্পীর সঙ্গে ৯ হাজার টাকায় চুক্তি করেন এবং মোবাইলের মাধ্যমে ২ হাজার টাকা অগ্রিম প্রদান করেন।
বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ওই তরুণ দুই নারী নৃত্যশিল্পী সরাইল বিশ্বরোড মোড়ে পৌঁছান। পরে রাকিব মিয়াসহ দুই যুবক তাদের সিএনজি চালিত অটোরিকশায় করে শাহবাজপুর সেতু এলাকায় নিয়ে আসেন।
সেখান থেকে রাকিবসহ আরও কয়েকজন তাদের একটি নৌকায় করে তিতাস নদীতে নিয়ে যান। কিছু দূর যাওয়ার পর দুই নারীকে ধর্ষণ করা হয়। এ সময় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের সঙ্গে থাকা পুরুষ সদস্যকে হত্যার ভয় দেখানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে রাতে তাদের নাসিরনগর ভুইয়ার ঘাট এলাকায় নামিয়ে দিয়ে অভিযুক্তরা চলে যায়। শুক্রবার দুপুরে ভুক্তভোগীদের পক্ষে চান্দিনা এলাকার এক নারী সরাইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
শুক্রবার রাত আড়াইটার সময় সরাইল উপজেলার বুড্ডা গ্রাম থেকে শান্ত বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শনিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয় বলে পুলিশ সুত্রে জানা গেছে।