শিরোনাম :
কুড়িগ্রামের চিকিৎসকের বাড়িতে চুরি, অগ্নিসংযোগ, ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি টুঙ্গিপাড়ায় বাল্যবিবাহের দায়ে বরকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড অষ্টগ্রামের হাওর ডুবল ভারী বৃষ্টিতে, দিশেহারা কৃষক-জনজীবন ঠাকুরগাঁওে লিগ্যাল এইড দিবস উদ্‌যাপন কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কুলিয়ারচরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি টেকনাফে অপহরণচেষ্টা ঠেকাতে গিয়ে ইউপি সদস্যের ওপর হামলা, উত্তেজনা সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনায় চুলকাটি প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দারুস সালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. মিজানের সৌজন্য সাক্ষাৎ গোসাইরহাটে ‘পার্টনার’ প্রকল্পের আওতায় ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত ঢাবি শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন’র ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৮ অপরাহ্ন

অষ্টগ্রামের হাওর ডুবল ভারী বৃষ্টিতে, দিশেহারা কৃষক-জনজীবন

মো.রুবেল মিয়া,অষ্টগ্রাম (,কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি / ০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬

কালবৈশাখীর আকস্মিক ঝড় ও ভারী বৃষ্টিতে বছরের একমাত্র ফসলি অঞ্চল কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চল তলিয়ে গেছে পানিতে। বিশেষ করে অষ্টগ্রামের আব্দুল্লাহপুর, আদমপুর এলাকার নিচু জমিগুলোতে বৃষ্টির পানি জমে শত শত একর পাকা সোনালী ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় কৃষকরা জানয়েছেন, ঝড়ের পরপরই হাওরের বিস্তীর্ণ জমিতে পানি জমে ধান কাটা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। জমিতে পানি বেশি থাকায় আধুনিক কৃষি যন্ত্র কম্বাইন হারভেস্টার ব্যবহার করাও সম্ভব হচ্ছে না। ফলে দ্রুত ফসল ঘরে তোলার সুযোগ হারাচ্ছেন কৃষকরা। কৃষকরা জানান, ধান একেবারে পেকে গেছে, কিন্তু জমিতে হাঁটু সমান পানি। হারভেস্টার ঢুকাতে পারি না, আবার উত্তরবঙ্গের কুড়িগ্রাম, জামালপুরের ধান কাঁটার শ্রমিক না আসায়। শ্রমিকও পাওয়া যাচ্ছে না। কীভাবে ধান কাটবো বুঝতে পারছি না। অনেক কৃষক পরিবার-পরিজন নিয়ে নিজেরাই ধান কাটার চেষ্টা করছেন, কিন্তু তাতেও সময়মতো ফসল রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ছে। এদিকে শ্রমিক সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। হাওরের বিভিন্ন এলাকায় ধান কাটার জন্য শ্রমিকের চাহিদা বেড়ে গেলেও সরবরাহ নেই বললেই চলে। ফলে অনেক কৃষক চোখের সামনে ধান নষ্ট হতে দেখে হতাশায় ভেঙে পড়ছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছু এলাকায় শ্রমিকের মজুরি কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেলেও পর্যাপ্ত শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। এতে কৃষকদের ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়ছে। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিকল্প ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা চলছে। তবে পানির কারণে যন্ত্র ব্যবহার ব্যাহত হওয়ায় দ্রুত সমাধান পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। কালবৈশাখীর এই দুর্যোগ কেবল প্রাকৃতিক বিপর্যয় নয়-এটি হাওর অঞ্চলের কৃষি ব্যবস্থার বড় এক চ্যালেঞ্জের প্রতিচ্ছবি। সময়মতো কার্যকর উদ্যোগ না নিলে কৃষকদের এই কান্না আরও তীব্র হবে এবং দেশের খাদ্য উৎপাদনেও পড়বে নেতিবাচক প্রভাব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category