• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
Headline
হাইওয়ে পুলিশের প্রধান হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃতী সন্তান মো. সায়েদুর রহমান জাহাজমারায় চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় যুবদল নেতা ফাহিম উদ্দিন, তাঁকে চান এলাকাবাসী গোপালগঞ্জে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি জনগণের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী দাউদকান্দিতে পুলিশের অভিযানে ১৫ জন গ্রেপ্তার, মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত ১২ বুড়িচংয়ের বারেশ্বরে কৃষিজমির ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ, যুবদল নেতা বিরুদ্ধে সুন্দরবনসংলগ্ন রিসোর্টের পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনায় সন্তুষ্ট প্রতিমন্ত্রী কুড়িগ্রাম জজকোর্টের আশেপাশে দোকানপাট বিচার প্রার্থীদের হয়রানি ও ভোগান্তি হবিগঞ্জে প্রতিমন্ত্রীর আসন ছেড়ে শিশুদের সঙ্গে মেঝেতে বসে পাঠদান, প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বড়লেখায় জমিতে বাঁধাসহ চাঁদা দাবির অভিযোগ, ব্যবসায়ীর সংবাদ সম্মেলন

বংশগত হৃদরোগের ঝুঁকিতে আছেন যারা…

প্রতিনিধি :
প্রকাশকাল : বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৮

বংশগত কারণে হৃদরোগের সমস্যা অনেক মানুষকেই বয়ে বেড়াতে হয়। জেনেটিক কারণে একটি পরিবারের যখন হৃদরোগের ঝুঁকি হুমকি হয়ে দাঁড়ায়, তখন নিরাপদ থাকার উপায় আছে। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের জার্নাল সার্কুলেশনের এক গবেষণায় বলা হয়, মুষ্ঠিকে দৃঢ়করণ, শারীরিক পরিশ্রম এবং উন্নত কার্ডিও ও রেসপাইরেটরি ফিটনেস মানুষকে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি থেকে দূরে রাখতে পারে।

ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটিস স্কুল অব মেডিসিন এর মেডিসিন বিভাগের প্রফেসর এবং প্রধান গবেষক এরিক ইনগেলসন বলেন, এখানে আসল বিষয়টা হলো, শারীরিক শ্রম আসলে মানুষকে হৃদরোগের ঝুঁকি থেকে দূরে রাখতে পারে।

গবেষণায় উপসংহার টানতে বিশেষজ্ঞরা ব্রিটেনের বায়োব্যাংক ডেটাবেজ থেকে ৫ লাখ মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করেন। এ গবেষণায় বেশ কিছু মানুষ অংশ নেন। এরা সবাই বংশগতভাবে কার্ডিওভাসকুলার ডিজিসের ঝুঁকিতে রয়েছেন। দেখা গেছে, কাজ বা ব্যায়াম করে যারা বজ্রমুষ্ঠির অধিকারী হয়েছেন তাদের করোনারি হার্ট ডিজিসের ঝুঁকি ৩৬ শতাংশ কম। পাশাপাশি অ্যাটরিয়াল ফিব্রিলেশনের ঝুঁকিও তাদের ৪৬ শতাংশ কমে আসে। অন্যদিকে, দুর্বলদের ঝুঁকি অনেকটা বেশি।

গবেষক বলেন, আসলে আমাদের গবেষণার মাধ্যমে হৃদরোগের ঝুঁকিমুক্ত থাকতে নির্দিষ্ট পরিমাণ ব্যায়াম বা কায়িকশ্রমের কথা বলা হচ্ছে না। তবে এর মাধ্যমে যে সংশ্লিষ্ট রোগ থেকে দূরে থাকা যায় তা নিশ্চিত বোঝা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category