গত দুই দিন ধরে টানা বৃষ্টিতে সিরাজগঞ্জে সাধারণ মানুষের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়েছে। এতে মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে বিভিন্ন সবজি জাতীয় ফসলের ক্ষতির শঙ্কা রয়েছে। সিরাজগঞ্জ শহরের খানা-খন্দ ও নিচু জায়গাতে ইতোমধ্যেই পানি জমে গেছে। রাস্তাঘাট কর্দমাক্ত হয়ে পড়েছে। চলাচলের চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বৃহস্পতিবার রাত থেকে অবিরাম বর্ষনে সকালে অফিস ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা পরেছে চরম বিপাকে । শ্রমজীবিরা বের হতে পারছে না । যমুনা নদীর পানি গত ২৪ ঘন্টায় স্থির থাকলেও বৃষ্টির কারনে নাদী পারের মানুষের দূর্ভোগ চরমে পৌছেছে । জেলার চৌহালি, কাজিপুর, শাহজাদপুর ও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নদী ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে । এতে ভাঙ্গন এলাকার মানুষের কজষ্ট আরো বেড়েছে । চরের মানুষেরা জীবনের ঝুকি নিয়ে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও জীবন জীবিকার সন্ধানে নৌ পথে চলাচল করছে ।
শহরের রাস্তা-ঘাট প্রায় ফাঁকা। প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। দুই একটা রিকশা, অটোরিকশা ছাড়া যানবাহন নাই বললেই চলে। তবে অন্যান্য দিনের তুলনায় বৃষ্টির কারণে ভাড়া দ্বিগুন গুনতে হচ্ছে। কিছু কিছু দোকানপাট খোলা থাকলেও ক্রেতা নেই। বিশেষ করে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষ।
কাওয়াকোলা চরের কৃষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বৃষ্টি বাতাসের কারনে আমাদের চরের মানুষের কষ্ট বেড়েছে । জীবনের ঝুকি নিয়ে নদীর পার দিয়ে আসতে হচ্ছে । জরুরী প্রয়োজন ছাড়া কেঊ বের হচ্ছে না ।
রিক্সা চলক ইমান আলী জানান, গত রাত থেকে টানা বৃষ্টির কারণে কাজে বের হতে পারি নাই । এখন একটু বৃষ্টি কমার কারণে বের হয়েছি তবে যাত্রী নাই ।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এস এম নাসিম হোসেন বলেন,চলমান বৃষ্টিতে কৃষকেরা রোপা আমন ধান চাষে সুবিধা হবে । তবে সবজি ক্সেতে পানি জমে থাকলে ক্ষতির আশংকা রয়েছে । তিনি সবজির জমিতে জমে থাকা পানি বের করে দেয়ার পরামর্শ দেন ।