মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাগেরহাটে খানজাহান আলী মিশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় বাগেরহাট শহরের খানজাহান আলী মাজার মোড়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন। বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। সরকার আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে বাগেরহাটেও ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ষাটগম্বুজ মসজিদ ও সুন্দরবন আমাদের গর্ব।
সুন্দরবনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে হলে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। জনসংখ্যার চাপে প্রতিনিয়ত গাছ কাটা হচ্ছে। তাই নতুন করে গাছ লাগিয়ে সেই ঘাটতি পূরণ করতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অক্সিজেনসমৃদ্ধ সবুজ ও বাসযোগ্য দেশ গড়তে আমাদের বৃক্ষরোপণ অব্যাহত রাখতে হবে। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে। সরকারের এই উদ্যোগ সফল করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। বক্তব্য শেষে জেলা প্রশাসক দুটি ফলজ গাছের চারা রোপণ করে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খানজাহান আলী মিশনের সভাপতি ও ষাটগম্বুজ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ফকির তারিকুল ইসলাম, মিসেস মনিরা ইসলাম, মিশনের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক কামরুজ্জামান শিমুল, রণবিজয়পুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ হুমায়ুন কবির, জেলা মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক হারুন শেখ, হাফেজ মাওলানা এনামুল কবির, মাজুর আলম বাবলা, হাওলাদার মাহামুদ আলী, কাজী শাকিল তারিক, রবিউল ইসলাম (রবি), হাসান শেখ, ফকির রফিকুল ইসলাম, শেখ শরিফুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ সিয়ামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। আয়োজকরা জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ কর্মসূচির আওতায় জেলার বিভিন্ন স্থানে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে অব্যাহত থাকবে।