সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী বেলকুচি বহুমুখী মহিলা ডিগ্রি কলেজের ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বরণে বর্ণিল ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নবীন বরণ অনুষ্ঠান।
২২ আগস্ট রোজ শনিবার সকাল ১০:০০ ঘটিকায় কলেজ প্রাঙ্গণে এই শিক্ষার্থীবান্ধব আয়োজনটি সম্পন্ন হয়।
কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি এবং ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার সাবেক প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডাঃ মো: মাহমুদুল হাসান শুভ অনুপস্থিত থাকায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অত্র কলেজের প্রিন্সিপাল এ কে এন সামসুল আলম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য সিরাজগঞ্জ-৫ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির রাজশাহী বিভাগের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক মো: আমীরুল ইসলাম খান আলীম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য মোঃ গোলাম আজম, বেলকুচি থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক নূরুল ইসলাম গোলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও বেলকুচি বহুমুখী মহিলা ডিগ্রি কলেজের বিদ্যোৎসাহী সদস্য মো: বনি আমিন। পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক হাজী আলতাফ হোসেন প্রামানিক সহ উপজেলা ও পৌর বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নাসরিন আহমেদ-এর সাবলীল সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমীরুল ইসলাম খান আলীম বলেন, “বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে শিক্ষার্থীদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি অর্জন করলেই চলবে না, বরং নৈতিক ও প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশের সম্পদে পরিণত হতে হবে।” তিনি আরও বলেন, নারী সমাজকে শিক্ষিত ও দক্ষ করে গড়ে না তুললে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই ছাত্রীদের নিয়মিত পড়াশোনা, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং আধুনিক জ্ঞানার্জনে নিজেদের ব্রতী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বক্তব্য পর্ব শেষে নবাগত শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয় সেই সাথে অতিথিদের ফুলের তেরা দিয়ে বরণ করে নেয় অত্র কলেজের শিক্ষক শিক্ষিকাগন। অনুষ্ঠানে কলেজটির শিক্ষক-শিক্ষিকা, সাংবাদিক,অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে নবীন শিক্ষার্থীদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা জোগান। পুরো অনুষ্ঠানটি জুড়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে এক আনন্দঘন ও ইতিবাচক পরিবেশ বজায় ছিল। আলোচনা শেষে সাংস্কৃতিক গানের আয়োজন করা হয়।