নরসিংদীর মাধবদীতে সংঘর্ষের আশংকায় এলাকাবাসী। আদালতের জমির মালিকানার পাল্টাপাল্টি রায় নিয়ে মুখোমুখি দুই পক্ষ।
যেকোনো সময় দখল নিয়ে ঘটতে পারে বড় ধরনের সংঘর্ষ এমনটাই আশংকা করছেন এলাকাবাসী। দুই পক্ষের উত্তেজনা ঠেকাতে ভূমিকা রাখছেনা পুলিশ এমনটাও অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগীর কেউ কেউ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আজ সকালে বিরোধপূর্ণ জমিতে মেনহাজুর রহমান রাজু ভূঞার লোকজন কাজ করতে গেলে কাজে বাঁধা দিতে মাধবদী থানায় যায় আনছর আলী গং। এক পর্যায়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের যান চলাচল বন্ধ করে দেয় আনছর আলী গং। পরবর্তীতে পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছেন বলে আশ্বাস দিলে মহাসড়ক থেকে আন্দোলনকারীরা সড়ে দাড়ায়। পুলিশ পদক্ষেপ নিলে মেনহাজুর রহমান রাজু ভূঞার লোকজন চলে যায়।
উভয় পক্ষের উত্তেজনার সংবাদ পেয়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্টেট ও নরসিংদী সদর এসিল্যান্ড মিফতাহুল হাসান এবং মাধবদী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামাল হোসেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিম্ন আদালতের রায় হাইকোর্ট স্থগিত করেছে বলে আনছর আলী গং সহ উভয় পক্ষকে জমিতে না আসার নির্দেশনা দিয়েছেন। জমি ও স্থাপনা যে অবস্থায় আছে সে অবস্থায় রেখে শান্তি বজায় রাখার নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য যে, ১৯৭০ সালের দিকে নওপাড়া মৌজায় আনছর আলীর পিতা/চাচারা মেনহাজুর রহমান রাজু ভূঞার পিতার কাছে একটি জমি বিক্রি করেন। সেই সময় বিক্রিত জমির বিপরীতে ক্ষতিনিষ্পত্তি একটি দলিল দেয় আনছর আলী গং।
পরে সেই জমিতে মালিকানা না টিকায় ২০১৩ সালে এসে মেনহাজুর রহমান রাজু ভূঞা মাধবদী বাসস্ট্যান্ডের জমি দাবী করেন। তারপর থেকে আনছর আলী গং ও মেনহাজুর রহমান রাজু ভূঞার মধ্যে মামলা হলে রাজু ভূঞা মামলার রায় পায়। মামলার রায় পেয়ে গত ৫ মে আদালতের মাধ্যমে জমির দখল বুঝে নেয়। পরবর্তিতে গত ১১ মে আনছর আলী হাই কোর্টে আপীল করলে হাইকোর্ট রাজু ভূঞার পক্ষে দেওয়া নিন্ম আদালতের রায়কে স্থগিত করে দেয়।