শিরোনাম :
টুঙ্গিপাড়ায় সরকারি জমি দখল করে পাকা স্থাপনা—প্রশাসনের নীরবতায় প্রশ্নের ঝড় শ্রীপুরে মাদ্রাসার ছাত্রীকে অপহরণে গ্রেফতার ৭ জনগণের আস্থাই সরকারের সবচেয়ে বড় অর্জন, ড. আসিফ মিজান বাগেরহাটে লক্ষ্মীখালী ব্রিজের নির্মাণকাজ শুরুর দাবিতে মানববন্ধন ভৈরবে গভীর রাতে বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট; থানায় অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ে পাম্পে তেল নিতে গিয়ে হাতাহাতি মহাসড়ক অবরুদ্ধ কুলিয়ারচরে ২ কেজি গাঁজাসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক গোপালগঞ্জে বৃদ্ধ নাহিদা হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার জেলা পুলিশের নজরদারিতে ৯ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ হার্টে ছিদ্র নিয়ে জন্ম—৮ মাসের মুনতাসীরকে বাঁচাতে পরিবারের আকুতি
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ন

‎দৌলতপুরে কাজী আরিফ আহমেদ সহ ৫ নেতার ২৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী ১৬ ফেব্রুয়ারি আজ

Khandaker Jalal uddin / ৬৭ Time View
Update : রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

খন্দকার জালাল উদ্দীন : কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের দুর্গম এলাকা কালিদাসপুরে ১৯৯৯ সালের ১৬ ই ফেব্রুয়ারি কালিদাসপুর স্কুল মাঠে এক জনসভায় প্রকাশ্য দিবালোকে সন্ত্রাসীর ব্রাশ ফায়ার করে জাসদের অন্যতম নেতা কাজী আরিফ আহমেদ, অ্যাডভোকেট ইয়াকুব আলী, লোকমান হোসেন,ইসরাইল হোসেন, শমসের মন্ডল সহ ৫ জাসদ নেতাকে হত্যা করে। আজ থেকে দীর্ঘ ২৭ বছর আগে। এদিকে দৌলতপুরে জাসদের উদ্যোগে ফিলিপনগরে অ্যাডভোকেট ইয়াকুব আলীর কবর জিয়ারত, দোয়া,আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে অপরদিকে
কাজী আরেফ পরিষদের উদ্যোগেও বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। কাজী আরেফ আহমেদ ছিলেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক । কাজী আরিফ আহমেদসম্পর্কে যতটুকু জানাগেছে জন্ম ১৯৪২ সালে।

১৯৬০-এর দশকে আহমেদ আ স ম আবদুর রব , সিরাজুল আলম খান এবং শাহজাহান সিরাজের সাথে স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন । তারা চেয়েছিলেন বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ হোক এবং সেই লক্ষ্যে কাজ করার জন্য আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। তিনি ছাত্রলীগের ঢাকা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ।

১৯৭১ সালের ২রা মার্চ, তিনি অন্যান্য ছাত্রনেতাদের সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং একজন সেনাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ।

ছিলেন নির্মূল কমিটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং সংগঠক, যারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের জন্য যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের দাবি জানিয়েছিল। তিনি জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ।

১৯৯৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার কালিদাসপুরে অবস্থিত কালিদাসপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের এক সমাবেশে যোগ দিচ্ছিলেন আহমেদ । পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টির হামলায় তিনি এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের আরও চার রাজনীতিবিদ নিহত হন। ২০০৪ সালের ৩০ আগস্ট ১০ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২০১৬ সালে, তিনজনকে ফাঁসি দেওয়া হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে একজনকে ১৯ আগস্ট ২০২১ সালে রাজশাহী থেকে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন গ্রেপ্তার করে । কাজী আরেফ পরিষদ আহমেদের স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য কাজ করে। মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আহমেদের কবর”কাজী আরেফকে স্মরণ করা হয়েছে”

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category