বাগেরহাট সদর উপজেলার দক্ষিণ খানপুর মৌজায় সরকারি খাস জমি অবমুক্ত করে স্থানীয় মাদ্রাসার কাজে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)। এ ঘটনায় পুকুরের দখল নিয়ে প্রধান শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শরিফ খান সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্থানীয়দের সাথে আলোচনা শেষে দক্ষিণ খানপুর স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার অনুকূলে জমিটি ব্যবহারের অনুমতি দেন।
ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ খানপুর মৌজার বি.আর.এস ১ নং খতিয়ানের ৬৩২৬ ও ৬৩৪৫ নং দাগে যথাক্রমে সরকারি খাল ও রাস্তা থাকলেও সময়ের ব্যবধানে এর অবস্থান পরিবর্তিত হয়েছে। ফলে ওই দাগের প্রায় ০.০৭৪১ একর খাস জমিতে একটি পুকুরের সৃষ্টি হয়, যা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল অবৈধভাবে দখলে রেখেছিল।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে ভূমি অফিস সরেজমিনে মাপজোক করে জমিটি মাদ্রাসার অনুকূলে একসনা বন্দোবস্ত দেওয়ার সুপারিশ করে।
দক্ষিণ খানপুর স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান বলেন, “পুকুরটি মাদ্রাসার আওতাধীন হওয়ায় অবকাঠামোগত উন্নয়নের স্বার্থে এটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।”
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শরিফ খান বলেন, “সরকারি খাস জমি স্থানীয়রা ভোগ-দখল করছিল। মাদ্রাসার স্বার্থ বিবেচনায় জমিটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ থেকে প্রাপ্ত আয় মাদ্রাসার উন্নয়নে ব্যয় হবে এবং পরিচালনার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হবে।”