নীলফামারীতে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামী স্ত্রী সহ ৩ জন নিহত হয়েছে। রবিবার (২০সেপ্টেম্বর) বিকেলে নীলফামারীর জলঢাকা ও কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ঘটনা দুটি ঘটে। পিকআপভ্যান ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে জলঢাকা উপজেলার খারিজা গোলনা দিঘীরপাড় এলাকার সারমানো কোল্ড স্টোরেজ সংলগ্ন সড়কে এক নবদম্পতির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত নবদম্পতিরা হলেন—পলাশ (১৯) ও তাঁর স্ত্রী মনি রানী (১৯)।
নিহত পলাশ ডোমার উপজেলার গোমনাতি ইউনিয়নের দক্ষিণ গোমনাতি গ্রামের মৃত হিরম্বরের ছেলে। তাঁর স্ত্রী মনি রানী জলঢাকা উপজেলার গোলনা ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া এলাকার মিন্টু চন্দ্র রায়ের মেয়ে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, পলাশ ও তাঁর স্ত্রী মনি রানী একটি মোটরসাইকেলে করে ডোমার থেকে কালীগঞ্জের দিকে যাচ্ছিলেন। তাঁরা খারিজা গোলনা দিঘীরপাড় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থলেই পলাশ ও মনি রানীর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের ধরেয়ার বাজার নামক স্থানে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে হুমায়ুন কবির (১৩) নামে অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া এক যুবক নিহত হয়েছে । নিহত হুমায়ুন গাড়া গ্রাম ইউনিয়নের জুম্মাপাড়া নয়ভাই এলাকার আতিকুল ইসলামের একমাত্র ছেলে এবং রনচন্ডী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। স্হানীয় সুত্রে জানা যায় যে হুমায়ুন তার বাইসাইকেল যোগে ধরেয়ার বাজারের যাচ্ছিলো তার কিছু কাগজ ফটোকপি করার জন্য, পথিমধ্যে জলঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি দ্রুত গতির ট্রাক তাকে চাপা দেয় এবং ঘটনাস্থলে হুমায়ুনের মৃত্যু হয়।
এবিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল গফুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন ঘাতক ট্রাক টিকে জব্দ করা হয়েছে এবং ট্রাকের চালক ও হেলপারকে আটক করা হয়েছে ।