শিরোনাম :
টুঙ্গিপাড়ায় সরকারি জমি দখল করে পাকা স্থাপনা—প্রশাসনের নীরবতায় প্রশ্নের ঝড় শ্রীপুরে মাদ্রাসার ছাত্রীকে অপহরণে গ্রেফতার ৭ জনগণের আস্থাই সরকারের সবচেয়ে বড় অর্জন, ড. আসিফ মিজান বাগেরহাটে লক্ষ্মীখালী ব্রিজের নির্মাণকাজ শুরুর দাবিতে মানববন্ধন ভৈরবে গভীর রাতে বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট; থানায় অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ে পাম্পে তেল নিতে গিয়ে হাতাহাতি মহাসড়ক অবরুদ্ধ কুলিয়ারচরে ২ কেজি গাঁজাসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক গোপালগঞ্জে বৃদ্ধ নাহিদা হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার জেলা পুলিশের নজরদারিতে ৯ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ হার্টে ছিদ্র নিয়ে জন্ম—৮ মাসের মুনতাসীরকে বাঁচাতে পরিবারের আকুতি
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন

দৌলতপুরে সারের সংকট দেখিয়ে বাড়তি মূল্য আদায়ের অভিযোগ

মোঃ সাইফুল ইসলাম / ১৪৫ Time View
Update : সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

বাংলাদেশে বর্তমানে কৃষির রবি (শীতকালীন) মৌসুম চলমান, যা কার্তিক মাস থেকে শুরু হয়ে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত স্থায়ী থাকে। এ মৌসুমে বোরো ধান, গম, ভুট্টা, সরিষা ও বিভিন্ন শাকসবজি চাষ করা হয়। চলতি মৌসুমে সারের কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায়। এতে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা।
কৃষকদের অভিযোগ, বাজারে পর্যাপ্ত সার থাকা সত্ত্বেও সংকট দেখিয়ে বস্তাপ্রতি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত দাম নেওয়া হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত মূল্য উপেক্ষা করে সার বিক্রি করায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তারা। বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দোকানে সরকারি মূল্য তালিকা ঝোলানো থাকলেও বাস্তবে সেই দাম অনুসরণ করা হচ্ছে না। বিশেষ করে ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) সারের সরকার নির্ধারিত মূল্য ১ হাজার ৫০ টাকা হলেও ব্যবসায়ীরা তা বিক্রি করছেন ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকায়। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন চাষিরা।
উপজেলার ফিলিপনগর গ্রামের কৃষক সবুজ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, চলতি মৌসুমে আমি গম, ভুট্টা ও মটর মিলিয়ে সাড়ে ছয় বিঘা জমিতে চাষাবাদ করেছি। কয়েকদিন আগে সার কিনতে গেলে ডিএপি সার প্রতি কেজি ৩৪ টাকায় নিতে হয়েছে। বেশি নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে দোকানদার বলেন, আমার বেশি দামে কেনা, চাইলে নেন, না হলে রেখে যান। বাধ্য হয়ে বেশি দামেই সার কিনতে হয়েছে। উপজেলার আরেক কৃষক সাউন আলী বলেন, বাজারে সার থাকলেও সরকার নির্ধারিত দামে দেওয়া হচ্ছে না। দোকানে মূল্য তালিকা থাকলেও দাম আদায় করা হচ্ছে নিজেদের মতো করে। প্রতিবাদ করলে বলা হয়, এই দামে নিতে হলে নিন, না হলে সার নেই। কৃষকদের আশঙ্কা, অতিরিক্ত দামে সার কিনতে হলে চলতি মৌসুমে উৎপাদন ব্যয় দ্বিগুণ হয়ে যেতে পারে। এতে অনেক কৃষক জমিতে চাষের পরিমাণ কমানোর কথা ভাবছেন।

এ বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রেহেনা পারভিন বলেন, সার সরবরাহে কোনো সংকট নেই। আমরা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন বাজারে অভিযান পরিচালনা করছি।কেউ যদি সরকার নির্ধারিত দামের বাইরে সার বিক্রি করে, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃষকদের অভিযোগ পেলে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category