• সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন
Headline
সারাদেশে নারী ও শিশু নি/র্যা/ত/নের প্রতিবাদে বেলাবোতে মানববন্ধন রাজাপুর ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থিতা বাছাই নিয়ে পর্যালোচনা সভা ঠাকুরগাঁও গোপীকান্তপুরে ৫ যুবকের স্বপ্নে নির্মম আঘাত, হা’ম’লায় প্রাণ গেল বহু হাঁসের বেলকুচিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন, আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ সাতক্ষীরায় এক মাস ধরে পানিবন্দী ৩ হাজার পরিবার রাখালগাছিতে বিএনপি নেতা বাপ্পি’র অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার গোসাইরহাটে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ পালিত রাণীনগরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে র‍্যালি ও মাছের পোনা অবমুক্ত নাগেশ্বরীতে জাতীয় মৎস পক্ষ ২০২৬ পালিত আমোদপুরে মেধাবী ও রত্নগর্ভা মায়েদের সংবর্ধনা

কুমিল্লার লাকসামে সোহান হ/ত্যা: মিজানুরের যা’ব’জ্জীবন

এ.কে পলাশ, কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশকাল : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬

কুমিল্লার লাকসামে টাকা-পয়সা লেনদেনকে কেন্দ্র করে সাইফুল ইসলাম সোহান নামে এক যুবককে হত্যার দায়ে মো. মিজানুর রহমান হাজারী (৬৫) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

একই সঙ্গে তাকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে একই মামলার অপর আসামি মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট ২০২৬) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (পঞ্চম আদালত) এর বিচারক মোহাম্মদ সুলতান উদ্দীন প্রধান এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মিজানুর রহমান হাজারী কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার চিকুনিয়া দক্ষিণপাড়া হাজারী বাড়ির বাসিন্দা এবং মৃত আলী হোসেনের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২১ সালের ৮ এপ্রিল দুপুরে টাকা-পয়সা লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সাইফুল ইসলাম সোহানের সঙ্গে মিজানুর রহমানের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মিজানুর রহমান ধারালো দা দিয়ে সোহানকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন।
আহত সোহানকে প্রথমে মুজাফফরগঞ্জ হেলথ কেয়ার প্রাইভেট লিমিটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে কুমিল্লা ট্রমা হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০২১ সালের ১৮ মে রাত ১১টার দিকে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা রুহুল আমিন ২০২১ সালের ২৬ এপ্রিল লাকসাম থানায় মিজানুর রহমান হাজারীসহ পাঁচজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি প্রথমে দণ্ডবিধির ১৪৩/৩২৬/৩০৭/৫০৬/৩৪ ধারায় রুজু হলেও তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম ও মোহাম্মদ রাশেদ খান চৌধুরী আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মিজানুর রহমান হাজারী ও তার ছেলে মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। অন্যদিকে, মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে বেকসুর খালাস দেন। রায় ঘোষণাকালে আসামিদ্বয় বিজ্ঞ আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক সরকার।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category