শিরোনাম :
বাগেরহাটে কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের নির্দেশ প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতের দুই লাখ টাকা জরিমানা ঠাকুরগাঁওয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান হবিগঞ্জে পেট্রোল পাম্পে নতুন নিয়ম কার্যকর, লাইসেন্স ও হেলমেট বাধ্যতামূলক হবিগঞ্জে নিখোঁজের ৬ ঘণ্টা পর ডোবায় মিলল শিশুর মরদেহ ‎ কক্সবাজারে মডেল প্রেসক্লাবের পুনর্মিলনী হবিগঞ্জে তেল মজুদ ও পাচার ঠেকাতে যৌথ টাস্কফোর্সের অভিযান চাঁপাইনবাবগঞ্জে সেচ সংকট নিরসনে তৎপর, এমপি বুলবুল শ্রীপুরে বাজার ইজারা নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অষ্টগ্রামে নারীকে শ্লীলতাহানি মারধরের অভিযোগ ননদের স্বামীর বিরুদ্ধে
রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২০ অপরাহ্ন

দৌলতপুর সীমান্তে আলোচিত নাজমুল ও লালু দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীকে জনি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার

মোঃ সাইফুল ইসলাম / ৮১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত এলাকার আলোচিত দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীকে জনি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে নাটোরের বড়াইগ্রাম হাইওয়ে এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো জামালপুর গ্রামের কাবের আলীর ছেলে নাজমুল (৩৫) এবং একই এলাকার ছামুর ছেলে লালু (৪৬)। তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই অঞ্চলে অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায় জড়িত এবং তাদের নামে একাধিক হত্যা, অস্ত্র ও মাদক মামলা রয়েছে।

এর আগে, হত্যার দিনগত রাতেই এ মামলার আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলো জামালপুর গ্রামের দুল্লোব আলীর ছেলে সিকান্দার আলী (৬০) এবং জাহিদুল ইসলামের ছেলে আসিফ হোসেন (১৫)। এ নিয়ে মামলায় মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ।

জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের পর নিহত জনির মা হাসু খাতুন বাদী হয়ে ২৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করে দৌলতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর রাতেই পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে প্রথম দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ নভেম্বর দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুণ্ডি মাঠপাড়া এলাকায় দুপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে জনি হোসেনকে (৩২) কুপিয়ে ও পায়ের রগ কেটে হত্যা করা হয়। ওই অঞ্চলের চিহ্নিত শীর্ষ অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী সোহান, লালু, নাজমুলসহ ৩০-৪০ জন এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়। নিহত জনি ছিলেন জামালপুর এলাকার মৃত জাকির হোসেনের ছেলে। জনি দীর্ঘদিন ধরে সোহানের হয়ে অস্ত্র ও মাদক বহনের কাজ করতেন।

কিন্তু পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে গত ২৮ নভেম্বর সন্ধ্যায় তাদের মধ্যে তুমুল বাগবিতণ্ডা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এতে জনির পিঠে সেলাই দিতে হয় এবং সোহান তাকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেয়। প্রাণভয়ে সেদিন রাতেই জনি মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া এলাকায় আশ্রয় নেন। পরদিন শনিবার দুপুরে বাড়ি ফেরার সময় সোহানের নেতৃত্বে বড় একটি সশস্ত্র দল জনির ওপর হামলা চালায়। দেশীয় অস্ত্র দিয়ে নির্মমভাবে কুপিয়ে নিশ্চিত মৃত্যু ঘটানো হয়। আতঙ্ক ছড়াতে হামলাকারীরা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিও ছোড়ে।

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান শেখ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুষ্টিয়া পুলিশের একটি টিম নাজমুল ও লালুকে বড়াইগ্রাম হাইওয়ে এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সন্ধ্যায় দৌলতপুর থানায় হস্তান্তর করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category