শিরোনাম :
হবিগঞ্জের হাওরাঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে জেলার হাজার হাজার কৃষক তাদের একমাত্র বোরো ফসল হারানোর শঙ্কায় পড়েছেন। ‎ ‎বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে বানিয়াচং উপজেলার সুজাতপুরের দত্তগাঁও এলাকায় খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে ও উপচে পানি হাওরে প্রবেশ করে। এতে মুহূর্তের মধ্যে শত শত একর ফসলি জমি প্লাবিত হয়। ‎ ‎জেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক জানান, ভারী বর্ষণে ইতোমধ্যে প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এখনো প্রায় ৩০ শতাংশ ধান কাটার বাকি রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে অবশিষ্ট ফসলও পুরোপুরি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ‎ ‎জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ছায়েদুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হবিগঞ্জে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে বলে তিনি জানান। ‎ ‎সরেজমিনে বানিয়াচং, আজমিরীগঞ্জ ও লাখাই উপজেলার বিভিন্ন হাওরে দেখা গেছে, কৃষকরা কোমর ও বুকসমান পানিতে নেমে ধান কাটছেন। কোথাও ছোট নৌকা ব্যবহার করে কাটা ধান নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে বাতাসে ধানগাছ পড়ে যাওয়ায় ফসল সংগ্রহে বাড়তি সময় ও শ্রম ব্যয় হচ্ছে। ‎ ‎ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ, পানি বৃদ্ধির বিষয়ে আগাম সতর্কতা যথেষ্ট না থাকায় তারা প্রস্তুতি নিতে পারেননি। অনেক এলাকায় কাটা ধান পানিতে ভিজে নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ‎ ‎কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, নিচু এলাকার ধান দ্রুত কাটার জন্য কৃষকদের নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। তবে শ্রমিক সংকট, শুকানোর জায়গা ও পরিবহন ব্যবস্থার অভাবে ফসল ঘরে তুলতে কৃষকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। ‎ ‎বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে হাওরাঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। জ্বালানি সংকটে বিপাকে মোটরসাইকেল মেকানিকরা, স্থবির পার্টস ব্যবসা অষ্টগ্রামে হাওরে ধান ডুবল শিলাবৃষ্টিতে, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে প্রশাসন ও বিএনপি ঠাকুরগাঁওয়ে ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেটসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার কালীগঞ্জের বক্তারপুরের ফুলদী জনতা উচ্চ বিদ্যালয় অনন্য ইতিহাস চুনারুঘাটে বজ্রপাতে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু বাগেরহাটে মৎস্য আড়ত নির্মাণে ‘পুকুরচুরি’র অভিযোগ গোসাইরহাটে গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মির্জাপুরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু কুড়িগ্রামের চিকিৎসকের বাড়িতে চুরি, অগ্নিসংযোগ, ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৬ অপরাহ্ন

ভূরুঙ্গামারী ফাজিল মাদ্রাসায় প্লাটিনাম জয়ন্তী বর্ণাঢ্য আয়োজন, শতবর্ষ উদযাপন

মোঃ মাইদুল ইসলাম,নিজস্ব প্রতিনিধি: / ৩০ Time View
Update : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬

উত্তর জনপদের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার গৌরবোজ্জ্বল ৭৫ বছর পূর্তি (প্লাটিনাম জয়ন্তী) উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে। ২০২৩ সালে আয়োজনের কথা থাকলেও বিভিন্ন কারণে বিলম্বিত হয়ে অবশেষে রবিবার (২২ মার্চ) মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ছিল সকাল ৯টায় উপস্থিতি ও উপহার সংগ্রহ, সকাল ১০টায় আনন্দ র‍্যালি, সকাল ১১টায় আলোচনা সভা, দুপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সংবর্ধনা ও মধ্যাহ্নভোজ, বিকেলে স্মৃতিচারণ এবং সন্ধ্যায় মনোজ্ঞ ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মাওলানা মোঃ আলতাফ হোসাইন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, সহকারী পুলিশ সুপার (ভূরুঙ্গামারী সার্কেল) মুনতাসির মামুন মুন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু সাজ্জাদ মোহাম্মদ সায়েম, ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আজিম উদ্দিন এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।

রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুড়িগ্রাম জেলা আমীর মোঃ আজিজুর রহমান সরকার, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা আমীর মোঃ আনোয়ার হোসেন, বিএনপির উপজেলা আহ্বায়ক মোঃ কাজী আলাউদ্দিন, ভুরুঙ্গামারী উন্নয়ন সোসাইটির সভাপতি মোঃ ফখরুজ্জামান জেট এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির উপজেলা শাখার প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মাহফুজুল ইসলাম কিরণসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

শিক্ষাবিদদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডা. মোঃ মেফতাউল ইসলাম মিলন, ভূরুঙ্গামারী সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আসাদুজ্জামান বুলবুল, বাউসমারী ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ আব্দুল মজিদ এবং সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ রমিজ উদ্দিন মন্ডল।

অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সাবেক শিক্ষার্থী, প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ফাজিল পর্যন্ত প্রায় ৮৩০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৩৫০ জন বর্তমান শিক্ষার্থী এবং প্রায় ৪০০ জন সাবেক শিক্ষার্থী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। সর্বমোট প্রায় ৭৫০ জন রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেন।

প্রথমে সাবেক শিক্ষার্থীদের জন্য ১০০০ টাকা এবং বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হলেও পরে তা কমিয়ে যথাক্রমে ৫০০ ও ৩০০ টাকা করা হয়।

৩১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটির মাধ্যমে এ আয়োজন পরিচালিত হয়। আয়োজকরা জানান, কিছু সীমাবদ্ধতা ও যোগাযোগ ঘাটতির কারণে প্রত্যাশিত সংখ্যক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মাওলানা মোঃ আলতাফ হোসাইন বলেন, “৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করতে যারা অর্থ ও শ্রম দিয়ে সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমরা আশা করেছিলাম কয়েক হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে, কিন্তু কিছু ত্রুটি ও সঠিক যোগাযোগের অভাবে অংশগ্রহণ কম হয়েছে। শতবর্ষ উদযাপন সামনে রেখে এখন থেকেই পরিকল্পনা নিতে হবে এবং শতভাগ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।”

আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল বলেন, “সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়েছে। সহযোগিতার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। তবে অনেক শিক্ষার্থী অংশ নিতে না পারায় আমরা দুঃখিত। ভবিষ্যতে শতবর্ষ উদযাপনকে সফল করতে সবাইকে আরও সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।”

উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ পর্যন্ত মাদ্রাসাটিতে মোট ১০ জন অধ্যক্ষ দায়িত্ব পালন করেছেন এবং প্রায় ৮৪ জন শিক্ষক-কর্মচারী দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘ ৭৫ বছরের পথচলায় প্রতিষ্ঠানটি এ অঞ্চলে শিক্ষা বিস্তার ও মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

হবিগঞ্জের হাওরাঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে জেলার হাজার হাজার কৃষক তাদের একমাত্র বোরো ফসল হারানোর শঙ্কায় পড়েছেন। ‎ ‎বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে বানিয়াচং উপজেলার সুজাতপুরের দত্তগাঁও এলাকায় খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে ও উপচে পানি হাওরে প্রবেশ করে। এতে মুহূর্তের মধ্যে শত শত একর ফসলি জমি প্লাবিত হয়। ‎ ‎জেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক জানান, ভারী বর্ষণে ইতোমধ্যে প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এখনো প্রায় ৩০ শতাংশ ধান কাটার বাকি রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে অবশিষ্ট ফসলও পুরোপুরি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ‎ ‎জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ছায়েদুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হবিগঞ্জে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে বলে তিনি জানান। ‎ ‎সরেজমিনে বানিয়াচং, আজমিরীগঞ্জ ও লাখাই উপজেলার বিভিন্ন হাওরে দেখা গেছে, কৃষকরা কোমর ও বুকসমান পানিতে নেমে ধান কাটছেন। কোথাও ছোট নৌকা ব্যবহার করে কাটা ধান নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে বাতাসে ধানগাছ পড়ে যাওয়ায় ফসল সংগ্রহে বাড়তি সময় ও শ্রম ব্যয় হচ্ছে। ‎ ‎ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ, পানি বৃদ্ধির বিষয়ে আগাম সতর্কতা যথেষ্ট না থাকায় তারা প্রস্তুতি নিতে পারেননি। অনেক এলাকায় কাটা ধান পানিতে ভিজে নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ‎ ‎কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, নিচু এলাকার ধান দ্রুত কাটার জন্য কৃষকদের নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। তবে শ্রমিক সংকট, শুকানোর জায়গা ও পরিবহন ব্যবস্থার অভাবে ফসল ঘরে তুলতে কৃষকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। ‎ ‎বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে হাওরাঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

হবিগঞ্জের হাওরাঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে জেলার হাজার হাজার কৃষক তাদের একমাত্র বোরো ফসল হারানোর শঙ্কায় পড়েছেন। ‎ ‎বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে বানিয়াচং উপজেলার সুজাতপুরের দত্তগাঁও এলাকায় খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে ও উপচে পানি হাওরে প্রবেশ করে। এতে মুহূর্তের মধ্যে শত শত একর ফসলি জমি প্লাবিত হয়। ‎ ‎জেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক জানান, ভারী বর্ষণে ইতোমধ্যে প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এখনো প্রায় ৩০ শতাংশ ধান কাটার বাকি রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে অবশিষ্ট ফসলও পুরোপুরি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ‎ ‎জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ছায়েদুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হবিগঞ্জে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে বলে তিনি জানান। ‎ ‎সরেজমিনে বানিয়াচং, আজমিরীগঞ্জ ও লাখাই উপজেলার বিভিন্ন হাওরে দেখা গেছে, কৃষকরা কোমর ও বুকসমান পানিতে নেমে ধান কাটছেন। কোথাও ছোট নৌকা ব্যবহার করে কাটা ধান নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে বাতাসে ধানগাছ পড়ে যাওয়ায় ফসল সংগ্রহে বাড়তি সময় ও শ্রম ব্যয় হচ্ছে। ‎ ‎ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ, পানি বৃদ্ধির বিষয়ে আগাম সতর্কতা যথেষ্ট না থাকায় তারা প্রস্তুতি নিতে পারেননি। অনেক এলাকায় কাটা ধান পানিতে ভিজে নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ‎ ‎কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, নিচু এলাকার ধান দ্রুত কাটার জন্য কৃষকদের নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। তবে শ্রমিক সংকট, শুকানোর জায়গা ও পরিবহন ব্যবস্থার অভাবে ফসল ঘরে তুলতে কৃষকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। ‎ ‎বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে হাওরাঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।