• শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন
Headline
স্মৃতি-ভালোবাসায় পুজগাং মুখ উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০৭ ব্যাচের পুনর্মিলনী কুমিল্লা নদী পার হতে গিয়ে নেভি কলেজ শিক্ষার্থী নি’খোঁজ গোপালগঞ্জে পিকআপ-প্রাইভেটকার সং’ঘর্ষে আ’হত ২৬ না ফেরার দেশে চলে গেলন ঈব্রাহীম মিয়া, দাফন সম্পন্ন রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে সিভিল সার্জনের ঈদ শুভেচ্ছা ও উন্নত খাবার বিতরণ পাঁচবিবিতে ২৭ গরু কোরবানি দিলেন মেয়র প্রার্থী- শামীম মন্ডল আমাদের শূন্য থেকে শুরু করতে হবে সাংবাদিকদের- মির্জা ফখরুল জয়পুরহাট চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপির উদ্যোগে ৪ হাজার পরিবারে কুরবানির গোস্ত বিতরণ বেলকুচিতে গীতা স্কুল ও রাস্তা উদ্ভোধন করলেন এমপি আমিরুল ইসলাম খান

পালিয়ে থেকেও রক্ষা হয়নি, অবশেষে ধরা পড়লেন অভিযুক্ত শিক্ষক

নেত্রকোনা প্রতিনিধি
প্রকাশকাল : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর মাদরাসা ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আমানুল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগর (৩০) কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৪, ময়মনসিংহ। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর বুধবার (ভোর) ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার সোনামপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

র‍্যাব-১৪ সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল ভোর ৪টা ১৫ মিনিটে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে মদন থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আমানুল্লাহ মাহমুদী মদন উপজেলার হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষক। ভুক্তভোগী শিশুটি ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।

শিশুটির বাবা নিখোঁজ এবং মা সিলেটে গৃহকর্মীর কাজ করায় সে নানির কাছে থেকে মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত। গত ১৮ এপ্রিল শিশুটির শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন লক্ষ্য করে তার মা তাকে মদনের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যান। সেখানে আল্ট্রাসনোগ্রাফি পরীক্ষায় জানা যায়, শিশুটি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

পরবর্তীতে শিশুটি জানায়, গত বছরের ২ অক্টোবর মাদ্রাসা ছুটির পর ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে শিক্ষক আমানুল্লাহ তাকে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে গত ২৩ এপ্রিল মদন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত পালিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন।

ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়। র‍্যাব ঘটনাটির গুরুত্ব বিবেচনায় ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়।

র‍্যাব-১৪-এর মিডিয়া অফিসার (সিনিয়র সহকারী পরিচালক) জানান, এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কি না বা কোনো প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, এ নৃশংস ঘটনার বিচার দাবি করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবারসহ স্থানীয়রা। তারা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category