শরীয়তপুর গোসাইরহাটে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মো. নাঈম হোসেন নামে এক ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. হানিফ মৃধার বিরুদ্ধে। এঘটনায় গোসাইরহাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ ভোক্তভুগী ব্যবসায়ী নাঈম।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে নাগের স্কুল সংলগ্ন ‘ নাঈম ইলেকট্রনিক্স’ নামের শো – রুমে ব্যবসায়ীকে টেনে-হিঁচড়ে বাইরে নেওয়ার চেষ্টা করেন হানিফ মৃধা তার ছেলে ও সহযোগী কয়েকজন। একপর্যায়ে তারা নাঈম পড়নের টি-শার্টও খুলে ফেলেন এবং কিল-ঘুষি ও চড় মারতে থাকেন। এসময় তার দোকান থেকে নগদ টাকা ও কয়েকটি মোবাইল ফোন নেয়ে যায় অভিযুক্তরা।
ভুক্তভোগী নাঈম জানান, আমার ওয়ালটনের শো -রুম শাখা নাগেরপাড়া স্কুলের দক্ষিন পাশে এখানে টিভি, ফ্রিজ, মোবাইলসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্য নগদ ও কিস্তিতে বিক্রি করি। গত বছর সেপ্টম্বর মাসে তার শো -রুম থেকে ২৯হাজার ৪ শত টাকা মূল্যের দুইটি মোবাইল ফোন নেন। এর মধ্যে ২১ হাজার ৯ শত টাকা পরিশোধ করলেও ৭ হাজার ৫ শত টাকা দীর্ঘদিনেও পরিশোধ করেননি। বিষয়টি তিনি হানিফের আত্মীয় ও স্থানীয় জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে হানিফ তাকে মারধর করেন। এ ঘটনার পর তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।
ঐ শো রুমের কর্মচারী দিগন্ত বলেন, ঘটনার পর নাঈম ভাই গিয়ে থানায় অভিযোগ দিয়েছে। বর্তমানে নাঈম দোকান খুলতে ভয় পাচ্ছেন। স্থানীয় ও বাজার কমিটির লোকদের বিষয়টি জানানো হলে তারা শালিসে সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. হানিফ মৃধা উপজেলার নাগেরপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
নাগেরপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক বিল্লাল মাতাব্বর জানান,
তবে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে সেটা তার ব্যক্তিগত বিষয় দল সেই দায়ভাড় নিবে না।
গোসাইরহাট থানার ওসি মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন বলেন, বকেয়া টাকা চাওয়া কে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি একপর্যায়ে হাতাহাতি হয়। ভোক্তভুগী নাঈম থানায় অভিযোগ দিয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত স্বাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।