ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের গলানিয়া গ্রামে নির্মাণাধীন একটি ভবনের সেপটিক ট্যাংকে নেমে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে চার শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন গলানিয়া পূর্বপাড়ার রোকন আলীর ছেলে হৃদয় (২৬), ধর্মতীর্থ এলাকার শুকুর আলীর ছেলে আরমান (১৮), গলানিয়া পশ্চিমপাড়ার মোশারফ হোসেনের ছেলে ইমাম হোসেন (২৬) এবং গলানিয়া মধ্যপাড়ার দুলাল মিয়ার ছেলে মমসাদ (১৭)। তারা সবাই সরাইল উপজেলার বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গলানিয়া গ্রামের আলী মিয়ার নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে কাজ করতে নেমে প্রথমে একজন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করতে একে একে আরও কয়েকজন নিচে নামলে তারাও বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হন। এতে ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর সরাইল স্টেশনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। সরাইল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার রিয়াজ মোহাম্মদ জানান, বেলা সাড়ে তিনটার দিকে তারা খবর পান। পরে নির্মাণাধীন ভবনের দেয়াল ভেঙে সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে প্রবেশ করে পৌনে ছয়টার দিকে চারটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, সেপটিক ট্যাংকে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।
বাংলাদেশ পুলিশ এর সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনজুর কাদের ভূঁইয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ কাজ করছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন