ত্যাগ, সংযম ও আত্মশুদ্ধির মহান শিক্ষা নিয়ে সমাগত পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। এ ঈদ শুধু আনন্দের নয়; এটি মানবতার প্রতি দায়িত্ববোধ, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা ও সহমর্মিতা প্রকাশের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটি এম কামরুল ইসলাম এক শুভেচ্ছা বাণীতে বলেন, কুরবানির মূল শিক্ষা হলো আত্মত্যাগ ও তাকওয়া। পবিত্র কুরআনের সুরা হজ্বের ৩৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন-কুরবানির পশুর রক্ত বা মাংস তাঁর কাছে পৌঁছায় না; বরং পৌঁছায় বান্দার তাকওয়া। তাই ঈদের প্রকৃত শিক্ষা হলো অন্তরের পবিত্রতা ও আল্লাহভীতি অর্জন করা।
তিনি আরও বলেন, ঈদ-উল-আযহার এই পবিত্র দিনে সমাজে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিক মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় হোক।
” আসুন আমরা বনের পশু কে নয় আমাদের মনের পশু কে কোরবানি করি ”
ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই যেন ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারে-এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার। পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা, সামাজিক সৌহার্দ্য বজায় রাখা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই হোক এবারের ঈদের প্রধান শিক্ষা-এমন আহ্বান জানান তিনি। তিনি আরও বলেন আমরা আমাদের কোরবানির পশুর রক্ত ও কোরবানির পরে বজ্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে না রেখে মাটির নিচে পুঁতে রেখে দিব,এবং বেশি করে পানি দিয়ে পরিস্কার করে স্বাস্থ্য সম্মত ভাবে মানুষ চলাচল বা বসবাসের উপযোগী করতে পারে সেই চেষ্টা করবো।
আমি আমার পক্ষ থেকে আবারও পবিত্র ঈদুল আযহা র শুভেচ্ছা আমার উপজেলার সহ সমগ্র বিশ্ববাসীকে সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানাই।