• শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ন
Headline
কক্সবাজারে এনপিএস ও সাংবাদিক সংস্থার ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় বেলাবো প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রধান শিক্ষকের মতবিনিময় ভৈরবে এতিম ও‌‌ বিধবা মাতাদের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে শহীদ জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকীতে দোয়া ও আলোচনা বেলকুচিতে শহীদ জিয়ার শাহাদাৎ বার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল জিয়ার ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীতে গোবিপ্রবি শিক্ষক ফোরামের শ্রদ্ধা মৌলভীবাজারে জিয়ার স্মৃতিতে বইমেলা, উদ্বোধন-এমপি নাসের রহমান গোপালগঞ্জে ৭ বছরের শিশুকে ব’লা’ৎকার নওগাঁয় ভোরের আলোয় তারুণ্যের জয়গান, ৭শত দৌড়বিদে মুখর রাণীনগর কুমিল্লা বুড়িচংয়ে স্ত্রীকে হ’ত্যা, ২৪ ঘণ্টায় স্বামী গ্রে’প্তার

জিয়ার ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীতে গোবিপ্রবি শিক্ষক ফোরামের শ্রদ্ধা

মো. শান্ত শেখ,নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশকাল : শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। তিনি শুধু একজন সেনানায়ক ও রাষ্ট্রপ্রধানই নন, বরং স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক রূপান্তরের এক মুখ্য চরিত্র।

১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে চট্টগ্রাম থেকে ‘স্বাধীনতার ঘোষণা’ দিয়ে তিনি ইতিহাসে জায়গা করে নেন। এই ঘোষণার তাৎপর্য ছিল তখনকার সময়ে জনমনে সাহস ও আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তোলা। তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের (স্বাধীনতাযুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রথম একটি সম্পূর্ণ ব্রিগেড) অধিনায়ক ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত হন।

রাষ্ট্রক্ষমতায় তাঁর আগমন ঘটে ১৯৭৫-পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষিতে। সেনাবাহিনীর এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা থেকে রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তাঁর উত্তরণ ছিল যেমন আকস্মিক, তেমনি প্রভাববিস্তারকারী। তিনি অর্থনৈতিক উদারীকরণ, গ্রামভিত্তিক উন্নয়ন এবং সামরিক শৃঙ্খলার প্রতি জোর দিয়েছিলেন।

১৯৭৭ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি হন এবং ১৯৭৮ সালের ১লা সেপ্টেম্বর রাজনৈতিক দল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক ধারায় জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রবর্তন করেন। তিনি ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ ধারণার মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়ের নতুন একটি দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেন, যা অনেকের কাছে স্বাধীনতা-পরবর্তী রাষ্ট্রচিন্তার একটি ভিন্নধর্মী রূপ হিসেবে বিবেচিত।

১৯৮১ সালের ৩০ মে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে তাঁর হত্যাকাণ্ড দেশকে ফের অস্থিরতার দিকে ঠেলে দেয়। তাঁর মৃত্যু আজও একটি বেদনাবিধুর অধ্যায় হিসেবে ইতিহাসে চিহ্নিত। এই হঠাৎ বিদায় কেবল বেদনার জন্ম দেয়নি পুরো জাতিকে করেছিল দিকভ্রান্ত।

জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গভীর ছাপ রেখে গেছেন। তাঁর গৃহীত নীতিমালা ও আদর্শের জন্য তাঁর শাসনামল বাংলাদেশের এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনকাল হিসেবে ভবিষ্যৎ গবেষণা ও মূল্যায়নের উপযোগী একটি অধ্যায় হয়ে থাকবে।

৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই এবং তার বেহেশত কামনা করে প্রার্থনা মহান আল্লাহর দরবারে।
:
ড. রবিউল ইসলাম
আহ্বায়ক
ফাতেমা খাতুন
সদস্য সচিব
গোবিপ্রবি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category