কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে উপজেলার আব্দুল্লাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া ভোলা কাজীর বাড়িতে ক্রয়কৃত জায়গা জোরপূর্বক দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী আমির মিয়া গংদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জিলানী মিয়া অষ্টগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সরেজমিনে মঙ্গলবার(১০জুন) গিয়ে স্হানীয় সূত্রে জানাযায় ২০ ডিসেম্বর ১৯৬৫ সালের ১৮৬০ নং দলিল মূলে ক্রয়কৃত জায়গা জিলানী মিয়া ভোগদখলে রেখে বিভিন্ন জাতে ফলজ গাছ লাগিয়ে বসবাস করে আসছে। কিন্তু প্রতিবেশী আমির মিয়া গংরা জোর পূর্বক ভাবে জায়গাতে ঘর নির্মাণ করে। ঘর নির্মাণে বাঁধা দিলে উল্টো খুন জখমের হুমকি দেয়। আতঙ্কে জীবন যাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবার। এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিদের কাছে বিষয়টি সমাধানের জন্য বারবার গেলেও তাদের ভয়ে কেউ কথা বলতে আসে না।
অভিযুক্তরা হলেন,আঃ লফ মিয়ার ছেলে দানিছ মিয়া (৬৫) আমির মিয়া(৪৬) জামির মিয়া(৪৪) মতিউর মিয়া (৩৬)গংরা।
ভুক্তভোগী জিলানী মিয়ার দাবি, ১৯৬৫ সালের দলিলমূলে ক্রয়কৃত জায়গা দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে রেখে তারা বসবাস করে আসছেন। সম্প্রতি প্রতিবেশী আমির, দানিছ, জামির ও মতিউর মিয়া জোরপূর্বক ওই জায়গায় ঘর নির্মাণ করেন। এতে বাধা দিলে উল্টো খুন-জখমের হুমকি দেওয়া হয়। বর্তমানে পরিবার নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে বিষয়টি সমাধানের জন্য বারবার গেলেও অভিযুক্তদের ভয়ে কেউ এগিয়ে আসছেন না। নিরুপায় হয়ে অষ্টগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পাশাপাশি সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে বিষয়টি মীমাংসার দাবি জানান।
অন্যদিকে অভিযুক্ত আমির মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাদের পরিবার প্রায় ২৫ বছর আগে জায়গাটি ক্রয় করেছে এবং বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। তিনি দাবি করেন, “এতদিন জিলানী মিয়া তাদের কোনো দলিল আছে বলে উল্লেখ করেননি।
এ বিষয়ে আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার শুক্কুর আলী বলেন, জিলানী ও আমির দুজনেই আমার আত্মীয় দুপক্ষের জায়গা নিয়ে বিরোধের বিষযটি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
অষ্টগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রুকনুজ্জামান বলেন, আব্দুল্লাহপুরে জায়গায় নিয়ে দুপক্ষ বিরোধের ঘটনায় জিলানী মিয়া বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।