শরীয়তপুর গোসাইরহাটে প্রতিপক্ষ গ্রুপের লোকজন বাড়িতে প্রবেশ করে এক নারীসহ ৩ জনকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কুচাইপট্টি ইউনিয়নের চরমাইজারী গ্রামের বসকাঠি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আহত শিরিন বেগমের স্বামী আলী আহম্মদ বেপারী বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে বিকালে গোসাইরহাহ থানায় মামলা দায়ের করেন।
অভিযুক্তরা হলে – ঐ এলাকায় মৃত জয়নাল ঘরামীর ছেলে আবু কালাম ঘরামী(৫৫) তার ছেলে সজীব ঘরামী (২৩) রাজীব ঘরামী(২৫)মিরাজ ঘরামি(২১) আমিনুল ইসলাম ঘরামী (১৯) ও একই এলাকার মৃত জয়নাল ঘরামীর ছেলে আবু সালাম ঘরামী (৫০)।
আহতরা হলেন- আলি আহম্মদ বেপারী(৩৫) ও স্ত্রী শিরিন বেগম (৪৫) ও বাবা ইউছুপ আলি বেপারী (৬৫)।
ভোক্তভুগী আলি আহম্মদ বেপারী থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে উল্লেখ করেন, শুক্রবার সকালে বাড়ির পশ্চিম পাশে ধানের জমিতে কাজ করতেছিল এ সময় আবু কালাম ঘরামি তার ক্ষেতের ধানের জমির উপরে ট্রাক চালিয়ে যাওয়ার সময় জমির ধান নষ্ট হয়। এরপরে তার জমি দিয়ে ট্রাক নিতে নিষেধ করলেও আবু কালাম উত্তেজিত হয়ে গালিগালাজ করে গালিগালাজ করতে নিষেধ করে। এরপরে বাড়ি চলে যায় পরবর্তীতে কালাম ঘরামি তার ছেলেদের নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে প্রথমে আলী আম্মদের স্ত্রী শিরিন কে মারধর শুরু করে। এ সময় সজিব ঘরামী নামের একজন ধারাল দা দিয়ে শিরিন কে মাথায় কুপিয়ে আহত করে। এ সময় ইউছুব আলি বেপারী রক্ষা করতে এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাকে মারধর করে। এছাড়াও লোহার রড দিয়ে তার ডান হাতে আঘাত করা হলে হাড় ভেঙে যায় বলে করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে হামলাকারীরা আলি আহম্মদ বেপারীকেও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। হামালর সময় নগদ টাকা ও স্বর্ণাংকার নিয়ে যায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
পরে এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে নিয়ে গেলে অবস্থার অবনতি দেখে চিকিৎসক শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। বর্তমান আহতরা শরীয়তপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মিরাজ কে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। খুদে বার্তা দিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি।
গোসাইরহাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। আসমীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।