শিরোনাম :
ভৈরবে ৭মাসের শিশুকে হত্যা করলো পিতা অভিযোগ স্ত্রীর কুলিয়ারচরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২৬ উদযাপিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে সীমান্তে বিপুল পরিমাণ মোবাইল ফোন জব্দ বিএনপি নেতাকে ঘিরে অপপ্রচার: কালীগঞ্জে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন কিশোরগঞ্জের নতুন এসপি মিজানুর রহমান শেলী হবিগঞ্জে ভুল প্রশ্নে দাখিল পরীক্ষা,দায়িত্ব হারালেন ৩ কর্মকর্তা কুলিয়ারচরে রাস্তার দুই সাইড দখল মুক্ত না হওয়ায় নির্মাণাধীন রাস্তার কাজ বন্ধ মাধবপুরে ডিবি’র অভিযানে ১২৯ কেজি গাঁজা নারী গ্রেপ্তার ভূরুঙ্গামারীতে সুপারি বস্তায় ৩ কেজি গাঁজা, নারী আটক ভুরুঙ্গামারীতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১১ অপরাহ্ন

টুঙ্গিপাড়ায় সরকারি জমি দখল করে পাকা স্থাপনা—প্রশাসনের নীরবতায় প্রশ্নের ঝড়

মো.শান্ত শেখ, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: / ১৬ Time View
Update : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড এর গ‌ওহরডাঙ্গা চৌরঙ্গী মোড়ের খালপাড় লেকপার্ক সংলগ্ন সরকারি সরকারি জমি দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ এর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী মোঃ ছিরু মোল্লার বিরুদ্ধে। প্রকাশ্যে কয়েকদিন ধরে অবৈধভাবে পাকা ভবন নির্মাণের কাজ চললেও নীরব প্রশাসন। এতে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

শনিবার দুপুরে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, গ‌ওহরডাঙ্গা চৌরঙ্গী মোড়ে খাস জমি দখল করে পাকা স্থাপনার কাজ চলছে। যার পাশেই অবস্থিত চৌরঙ্গী জামে মসজিদ। মসজিদের মুসল্লিদের অজুখানা হিসেবে ব্যবহৃত খালের ঘাটলায় যাওয়া আসার পথে বাঁধা এবং জনবহুল এলাকায় চলাফেরায় বিঘ্ন সৃষ্টি করে পাকা ভবন নির্মাণ চলছে।

 

এ সময় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকান কর্মচারী বলেন, ঘরের ভেতরে কয়েক ফিট সরকারি জমি আছে। স্থাপনা মালিক ছিরু মোল্লার সঙ্গে কথা বলেন।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে স্থানীয়রা জানান, কয়েক দিন ধরে সরকারি জমি দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করছেন ছিরু মোল্লা। স্থানীয় ভাবে প্রভাবশালী হ‌ওয়ায় ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করে না। প্রশাসনকে বারবার অবগত করলেও কোনো ব্যবস্থা নেয় না।

তবে সরকারি খাশ জমি দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করার কথা অস্বীকার করেন ছিরু মোল্লা। তিনি বলেন, ব্যাক্তিগত কাজের জন্য নতুন পাকা স্থাপনা নির্মাণের কাজ চলছে। তবে আমার কাজের মধ্যে সরকারি জমি নেই , যদি থাকে তাহলে আমি প্রশাসনিক ব্যবস্থা মেনে নিবো।

টুঙ্গিপাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহীন আলম বলেন, খালের তীরবর্তী হলেও স্থানটি খাস খতিয়ানের কিনা সেটা আমি ভালো করে জানি না। তবে আপনাদের কাছ থেকে জানলাম। বিষয়টি নিয়ে আমরা খতিয়ে দেখছি , যদি পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি হয় তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

কয়েকদিন ধরে সরকারি জমিতে অবৈধভাবে পাকা স্থাপনা নির্মাণ কাজ চলার পর বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জহিরুল আলম ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল-আমিন হাওলাদার কে অবগত করলে তারা খোঁজখবর নিয়ে দ্রুতই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন। কিন্তু পরবর্তীতে কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা না নেওয়ায় সরকারি জমির উপর পাকা স্থাপনার কাজ চলমান রয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবী যেন ,দ্রুত প্রশাসন পূর্ণ তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category