• শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন
Headline
স্মৃতি-ভালোবাসায় পুজগাং মুখ উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০৭ ব্যাচের পুনর্মিলনী কুমিল্লা নদী পার হতে গিয়ে নেভি কলেজ শিক্ষার্থী নি’খোঁজ গোপালগঞ্জে পিকআপ-প্রাইভেটকার সং’ঘর্ষে আ’হত ২৬ না ফেরার দেশে চলে গেলন ঈব্রাহীম মিয়া, দাফন সম্পন্ন রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে সিভিল সার্জনের ঈদ শুভেচ্ছা ও উন্নত খাবার বিতরণ পাঁচবিবিতে ২৭ গরু কোরবানি দিলেন মেয়র প্রার্থী- শামীম মন্ডল আমাদের শূন্য থেকে শুরু করতে হবে সাংবাদিকদের- মির্জা ফখরুল জয়পুরহাট চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপির উদ্যোগে ৪ হাজার পরিবারে কুরবানির গোস্ত বিতরণ বেলকুচিতে গীতা স্কুল ও রাস্তা উদ্ভোধন করলেন এমপি আমিরুল ইসলাম খান

একা চিকিৎসা নিতে গিয়ে সিসিইউ না থাকায় মৃত্যু,

মাইদুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশকাল : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতাল-এ করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) না থাকায় একা চিকিৎসা নিতে গিয়ে মারা যাওয়া অজ্ঞাত যুবকের পরিচয় অবশেষে শনাক্ত হয়েছে। তার নাম রবিউল ইসলাম মুকুল।

হাসপাতাল ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি নাগেশ্বরী উপজেলা-এর বলদীটারী এলাকার বাসিন্দা এবং লেবার অফিসের সাবেক সভাপতি ইসমাইল হোসেনের জ্যেষ্ঠ পুত্র। সকালে (৫ মার্চ) হৃদরোগজনিত সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে তিনি একাই কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। প্রয়োজনীয় উন্নত চিকিৎসা সুবিধা না থাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ভর্তির সময় পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা না থাকা এবং সঙ্গে কোনো স্বজন না থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে ‘বেওয়ারিশ’ হিসেবে শনাক্ত করে মরদেহ হিমাগারে সংরক্ষণ করে। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ছবি ছড়িয়ে পড়লে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে শনাক্ত করেন। বর্তমানে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সুপারিটেনডেন্ট ডাঃ নুর নেওয়াজ আহমেদ জানান, আমি ছুটিতে আছি। আজ সকালে তিনি একাই এমআই আক্রান্ত হয়ে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। তার সঙ্গে কেউ আসেনি। ইতিপূর্বেও তিনি এভাবে একা চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। কুড়িগ্রাম হাসপাতালে এমআই রোগীদের চিকিৎসা যন্ত্র ও করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) না থাকায় চিকিৎসা করা যায় না। চাহিদা পাঠানো হয়েছে কি না—এ বিষয়ে তিনি বলেন, চাহিদা দিলে হবে না, এটার জন্য মেডিকেল কলেজের মতো সেটআপ লাগে।

জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ স্বপন কুমার বিশ্বাস বলেন, প্রতিটি সদর হাসপাতালে কার্ডিওলজি বিভাগ রয়েছে, তবে এমআই-এর বিভিন্ন ধাপ রয়েছে। এখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে মেডিকেল কলেজে রেফার্ড করা যেত। তবে এ বিষয়ে তদন্ত করে কোনো ত্রুটি থাকলে তা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পাঠানো হবে।

বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডাঃ গাউসুল আজম চৌধুরী বলেন, ৩০ এপ্রিল পিআরএল-এ এসেছি। তবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে এটুকু বলবো, একজন হার্ট অ্যাটাকের রোগী জেলা পর্যায়ে চিকিৎসা পেলে অনেক ভোগান্তি কমে যাবে। বিভিন্ন সময়ে জেলা হাসপাতালগুলোতে সিসিইউ স্থাপনের জন্য সরকারিভাবে মন্ত্রণালয়ে আলোচনা হয়েছে, সরকার এ বিষয়ে আন্তরিক।

কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ আতিক মুজাহিদ বলেন, কোনো ব্যক্তি যেন বিনা চিকিৎসায় মারা না যায়, এটা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। যে মারা গেছেন তার পরিবারের সঙ্গে সমবেদনা জানাচ্ছি। স্বাস্থ্য বিষয়ে প্রতি মাসে একটি স্বাস্থ্যসেবা মুক্ত আলোচনার আয়োজন করেছি। সমস্যাগুলো শুনে যত দ্রুত সম্ভব সমাধান করার চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category