• সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন
Headline
দুর্গাপুরে নিরাপদে বসবাসের দাবিতে হিন্দু পরিবারের সংবাদ সম্মেলন গোপালগঞ্জ ছাড়া দেশের সব জেলায় জুলাই পদযাত্রা করবে এনসিপি গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে মৌলভীবাজারে গণমিছিল কুমিল্লায় উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে: মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন শায়েস্তাগঞ্জে সাবেক নারী ইউপি সদস্য হত্যা মামলায় ফারুক গ্রেপ্তার মৌলভীবাজারে শ্রীমঙ্গলে মা’দক প্রতিরোধে সচেতনতামুলক সভা সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডায়ালাইসিস ইউনিট স্থাপন হবে-স্বাস্থ্যমন্ত্রী পাঁচবিবিতে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে দুই পরীক্ষার্থী বহিস্কার গোপালগঞ্জে সাড়ে ৩শ শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ড্রেস বিতরণ আমাকে বৃক্ষ হিসেবে রোপন করুন,আমি আপনাদের ফল দিবো, মেয়র প্রার্থী

জাল প্রাপ্যতা শিট কাণ্ডে কাস্টমস প্রোগ্রামার আতিকুরের বেতন কমলো দুই ধাপ

মো.মাইদলু ইসলাম, নিজস্ব প্রতিনিধি:
প্রকাশকাল : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬

জাল স্বাক্ষরযুক্ত প্রাপ্যতা শিট আপলোড করে একটি প্রতিষ্ঠানকে প্রাপ্যতাবিহীন পণ্য আমদানিতে সহায়তা করার অভিযোগে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, রংপুরের সহকারী প্রোগ্রামার মোঃ আতিকুর রহমানকে দুই ধাপ বেতন নিম্নস্তরে অবনমিত করেছে সরকার।

বুধবার (২০ মে) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেন অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব মোঃ আবদুর রহমান খান এফসিএমএ।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মোঃ আতিকুর রহমান বর্তমানে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, রংপুরে কর্মরত থাকলেও এর আগে কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট, ঢাকা (উত্তর), ঢাকায় সহকারী প্রোগ্রামার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় তিনি বন্ড লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স জংশিন টেক্সটাইল (বিডি) লিমিটেডের সঙ্গে যোগসাজশে জাল স্বাক্ষরযুক্ত প্রাপ্যতা শিট আপলোড করে প্রতিষ্ঠানটিকে প্রাপ্যতাবিহীন পণ্য আমদানিতে সহায়তা করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে। তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত ২৩ মে ২০২৫ তারিখে তিনি সহকারী কমিশনারের স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাই না করেই প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে জাল প্রাপ্যতা শিট আপলোড করেন। এছাড়া তার ব্যবহৃত কম্পিউটার ও ইউজার আইডি থেকে ওই জাল প্রাপ্যতা শিট আপলোডের প্রমাণও পাওয়া যায়।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী এ ধরনের কর্মকাণ্ড ‘অসদাচরণ’ ও কর্তব্যে অবহেলার শামিল। এ অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করে অভিযোগনামা প্রদান করা হয়।

লিখিত জবাবে মোঃ আতিকুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তবে তিনি ব্যক্তিগত শুনানির আবেদন করেননি।

অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৪(২)(ঘ) অনুযায়ী তাকে ‘বেতন গ্রেডের দুই ধাপ নিম্নস্তরে অবনমিতকরণ’ শাস্তি প্রদান করা হয়।

এর ফলে তার বর্তমান মূল বেতন ৩৯ হাজার ৫৭০ টাকা থেকে দুই ধাপ কমিয়ে ৩৫ হাজার ৮৮০ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। এ দণ্ড আগামী দুই বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। একই সঙ্গে দণ্ডকালীন সময় বেতন বৃদ্ধি গণনাযোগ্য হবে না এবং তিনি এ সময়ের জন্য কোনো বকেয়া সুবিধাও পাবেন না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category