জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ৬নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান (প্যানেল চেয়ারম্যান) মোছাঃ রশিদা বেগমের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে বারোকান্দি গ্রামে নিজ বাড়িতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রশিদা বেগম বলেন, কয়দিন আগে ‘Shamim midia press’ নামক ফেসবুক আইডি থেকে আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আর্থিক কেলেঙ্কারি, সরকারি প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ, টিসিবি কার্ড বিতরণে আর্থিক লেনদেন, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতাভোগীদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়া এবং নদী খননে অনিয়মের মতো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিটি অভিযোগের পয়েন্ট ধরে ধরে তিনি বলেন: প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ প্রসঙ্গে আমি যদি আর্থিক কেলেঙ্কারি ও উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করেই থাকি, তাহলে প্রকল্পগুলোর বিল পাস হলো কীভাবে? প্রতিটি বিল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়ের সরেজমিন তদন্ত ও ইউএনও মহোদয়ের স্বাক্ষরের পর পাস হয়। টিসিবি কার্ডের জন্য অর্থ নেওয়ার যে কথা বলা হয়েছে, সেই কার্ডগুলোর তালিকা তৎকালীন চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হুবু হাজীর সময়ে করা হয়েছে। সেখানে আমার টাকা নেওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী ও মাতৃত্বকালীন ভাতার টাকা এখন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সরাসরি উপকারভোগীর অ্যাকাউন্টে যায়। এখানে লেনদেনের বিষয়টি সম্পূর্ণ মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সংবাদে ২জন ইউপি সদস্যদের যে বক্তব্য যুক্ত করা হয়েছে, তা ২ বছর আগের ধারণ করা ভিডিও। এটিকে বর্তমান পরিস্থিতির সাথে জুড়ে দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।
রশিদা বেগম আরও বলেন, আমি একজন নারী জনপ্রতিনিধি। আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে আমার সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
সাংবাদিক ভাইদের কাছে অনুরোধ, আপনারা সরেজমিনে এসে তদন্ত করে সত্য ঘটনা তুলে ধরুন।
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও তার সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।