সাংবাদিক কামরুজ্জামান শিমুলের নামে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা
প্রত্যাহারের দাবিতে এবং কথিত সাংবাদিক ও চিহ্নিত চাঁদাবাজদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বাগেরহাটে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল
অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৬ জুন) সকাল ১০টায় বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সামনে “বাগেরহাটের
সর্বস্তরের সচেতন জনগণ”-এর ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতাকর্মী’সহ স্থানীয়
গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন ও সত্য সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক কামরুজ্জামান শিমুলকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে। তারা বলেন, স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের অধিকারকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য একটি স্বার্থান্বেষী মহল দীর্ঘদিন ধরে
বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে শিমুলের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ফকির তারিকুল ইসলাম, বাগেরহাট রেড ক্রিসেন্টের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান টুটুল, জেলা বিএনপি নেতা সরদার অহিদুজ্জামান পল্টু, জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শরীফ মোস্তফা জামান লিটু, জেলা যুবদলের সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইমরান হোসাইন, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সাঈদ শুনু, প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য মোল্লা আব্দুর রব, প্রেসক্লাব রামপালের
সাবেক সভাপতি সবুর রানা এবং আমার দেশ পত্রিকার বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি
শেখ মিরানুজ্জামান’সহ আরও অনেকে।
বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হলে স্বাধীন গণমাধ্যম হুমকির মুখে পড়বে। তারা অবিলম্বে কামরুজ্জামান শিমুলের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। একই সঙ্গে কথিত সাংবাদিক ও চিহ্নিত চাঁদাবাজ হিসেবে অভিযুক্ত সৈকত মন্ডল, রুহুল আমিন
বাবু, রিফাত আল মাহমুদ, মেহেদী হাসান ও সাগর মন্ডলের বিরুদ্ধে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
মানববন্ধন থেকে অংশগ্রহণকারীরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, দ্রুত সময়ের
মধ্যে মামলা প্রত্যাহার না করা হলে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। পরে মানববন্ধন শান্তিপূর্ণভাবে সমাপ্ত হয়।