• শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন
Headline
হালুয়াঘাটে বালুবাহী ১০ ওভারলোড ট্রাককে জরিমানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে ৯,৭৫০ পিস ভারতীয় ই’য়াবা উদ্ধার কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হলেন পিরোজপুরের মনিরুল ইসলাম গোপালগঞ্জে ইজিবাইকের চাপায় স্কুল ছাত্র নি’হত কুমিল্লায় ভিক্ষুককে কু’পিয়ে ১৬০ টাকা ছি’নতাই,আটক ১ জেসমিনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন: টাকা ফেরত চাইলেন ভুক্তভোগীরা সুন্দরবনে অ’স্ত্রসহ করিম শরীফ বাহিনীর সদস্য আটক কুমিল্লা বিমানবন্দর-সংলগ্ন ভূমি বিরোধ: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ ঘাটাইলে নি’খোঁজের চারদিন পর খাল থেকে বিএনপি নেতার লা’শ উদ্ধার গাছ কাটার অভিযোগে বিয়ানীবাজারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

মির্জাপুরে গৃহবধূকে নি’র্যাতন ও চুল কেটে দেওয়ার অ’ভিযোগ

মো.রুবেল মিয়া, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
প্রকাশকাল : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে যৌতুকের দাবি পূরণ না করায় এক গৃহবধূর ওপর অমানুষিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানোর অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামী ও পরিবারের ওপর। এতেই ক্ষান্ত হয়নি, নির্যাতনের এক পর্যায়ে ওই গৃহবধূর মাথার চুল কেটে দেওয়া এবং গরম সিগারেটের ছ্যাঁকা দিয়ে শরীর ঝলসে দেওয়ার মতো নৃশংস ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পাগলপ্রায় গৃহবধূ শিমু আক্তার (১৯) বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর পূর্বে ইসলামিক শরিয়ত মোতাবেক উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামের শাহজাহান মিয়ার মেয়ে শিমু আক্তারের সাথে একই উপজেলার ভাদগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল সিকদারপাড়া গ্রামের ফজলু মিয়ার ছেলে আপন মিয়ার বিয়ে হয়। আপন সেনাবাহিনীর একজন সৈনিক বলে জানা গেছে।

বিয়ের পর থেকেই স্বামী আপন মিয়া একটি মোটরসাইকেল ক্রয়ের জন্য শিমুর পরিবারের কাছে পাঁচ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিল। আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল থাকায় যৌতুকের টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করার পর থেকেই শিমুর ওপর শুরু হয় পাশবিক নির্যাতন। নির্যাতনের এক পর্যায়ে সম্প্রতি ঈদের ছুুিটতে এসে স্বামী আপন মিয়া জোরপূর্বক শিমুর মাথার চুল কেটে দেয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে বেড়াতে গিয়ে ধেরুয়া চেকপোস্ট এলাকার একটি জলকুটিরে অজ্ঞাতকারণে ওই গৃহবধূর শরীরের বিভিন্নস্থানে সিগারেটের আগুন দিয়ে ছ্যাঁকা দেয়।

পরে সেখান থেকে বেরিয়ে সন্ধ্যার দিকে তাঁকে মারধর করে অজ্ঞান অবস্থায় লতিফপুর এলাকায় ফেলে রেখে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ শিমু আক্তার বলেন, আমাকে অনেক মারধর করা হয়েছে। তবুও আমি তার সংসার করতে চেয়েছি। কিন্তু এখন আর পারতেছিনা। আমি চাই সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আমার স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের সুষ্ঠু বিচার হোক।
ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আমরা বিষয়টি জেনেছি। শিমুকে অমানবিকভাবে অত্যাচার করা হয়েছে। তিনি একজন সেনা সদস্য হয়েও এরকম আচরণ করেছেন যেটি মেনে নেওয়ার মত নয়। আমরা সঠিক বিচার চাই।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্তকে একাধিকবার কল করেও যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি।

মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category