উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তারা স্থানীয়দের পাশে থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করবেন।
এম,এ মালেক,হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ :
প্রশাসন বেশ কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, খাল ও নদী খনন, নদীর গভীরতা ও প্রশস্ততা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ খনন কর্মসূচি নেওয়া হবে, যাতে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন হতে পারে।
এবং ক্ষতিগ্রস্ত কাঁচা রাস্তাগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে বলে জানান।
বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয়দের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে,আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান, যারা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বা প্লাবিত ঘরে আছেন, বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের দ্রুত নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পানির তীব্র স্রোত থেকে বাঁচতে শিশুদের চোখে চোখে রাখা এবং অপ্রয়োজনে বাইরে না বের হতে বলা হয়েছে।
এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও মূল্যবান জিনিসপত্র আগেভাগেই নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তারা স্থানীয়দের পাশে থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করবেন।
এম,এ মালেক,হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ :
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় অতিবৃষ্টির ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছে উপজেলা প্রশাসন।
গতকাল রাতের প্রবল বৃষ্টিতে উপজেলার গাজিরভিটা এবং ভুবনকুড়া এই দুটি ইউনিয়নে পাহাড়ি ঢল ও পানি বৃদ্ধি পেয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
বুধবার ১৩ মে বিকেলে সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, বন্যার তোড়ে দুটি কাঁচা রাস্তা এবং নদীর পাড় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে, যার ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, বন্যার পানি দ্রুত নামতে না পারায় জনদুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
এর বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান,বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন বেশ কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, খাল ও নদী খনন, নদীর গভীরতা ও প্রশস্ততা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ খনন কর্মসূচি নেওয়া হবে, যাতে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন হতে পারে।
এবং ক্ষতিগ্রস্ত কাঁচা রাস্তাগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে বলে জানান।
বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয়দের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে,আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান, যারা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বা প্লাবিত ঘরে আছেন, বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের দ্রুত নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পানির তীব্র স্রোত থেকে বাঁচতে শিশুদের চোখে চোখে রাখা এবং অপ্রয়োজনে বাইরে না বের হতে বলা হয়েছে।
এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও মূল্যবান জিনিসপত্র আগেভাগেই নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তারা স্থানীয়দের পাশে থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করবেন।