শরীয়তপুর গোসাইরহাটে অবৈধভাবে জোরপূর্বক ফসলি জমিতে বাঁধ নির্মান করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এক আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে। উপজেলার কুচাইপট্টি ইউনিয়নের ১৩নং পূর্ব পাঁচকাঠি মৌজা ২৭৪ং খতিয়ান বি আর এস ৩৫৯ নং দাগে ১.১৬ শতাংশ ফসলি জমির হালটে স্থানীয় এলাকার কিছু প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় সাবেক ইউপি মেম্বার ও ৪নম্বর ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি মো.নুরুল হক গাজী জোরপর্বক মাটি দিয়ে বাঁধ নির্মান করেন। এতে বাঁধের অংশে বেশি পানি জমে থাকায় ও পানি নিষ্কাশনের কোন পথ না রাখায় জমিতে বৃষ্টির পানি জলাবদ্ধাতা দেখা দিয়েছে। ঐ এলাকায় ১.১৬ শতক জমিতে ফসল মৌসুমে প্রয়োজনের সময় পানি যাতায়াতের ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার সকালে ঐ জমিতে বাঁধ নির্মানের বিরুদ্ধে এলাকার কয়েকশ কৃষক উপস্থিত হয়ে বাঁধটি কেটে ফেলার দাবি জানান।
এলাকার কৃষক কামরুল গাজী জানান, হেক্টর বোর ফসল চোখের সামনে পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের সাথে অনেকবার যোগাযোগ করেছি, তারা কোন সমাধান দিতে পারেননি। এখন বাঁধটি কেটে দিয়ে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করলে আমরা ফসল ফলাতে পারবো না।
কৃষক মোহাম্মদ আলী গাজি বলেন, আমাদের জমিতে যে হালটটি দিয়ে পানি যাতায়াত করে সেখানেই বাধ নির্মান করে মুখ বন্ধছকরে রেখেছে নুরুল হক গাজী।আমরা কৃষি কর্মকর্তা ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.শাহবুদ্দিন জানান, বাঁধ নির্মান করে পানি নিষ্কাশন ব্যহত জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে। আমি বিষয়টি অবগত হয়ে সরেজমিনে উপকসহকারী কৃষি সরজিমেন পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
বিষয়টি স্বীকার করে আ.লীগ নেতা নুরুলহক গাজী বলেন, এই হালট দিয়ে পানি আসাযাওয়ার জন্য পাকা ড্রেন করার কথা ছিলো তা না হওয়ায়। এখানকার জমির সব পানি এই হালটটি দিয়ে পানি নিষ্কশান করার ফলে আমার জমি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায়। আমি এখানে বাঁধ নির্মান করেছি।
কুচাইপট্টি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বিএম নাসিরউদ্দিন স্বপন বলেন, বাঁধ নির্মানের বিষয়টি খোঁজ খবর নিয়ে জানতে হবে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো.রৌশন আহমেদ জানান. সরেজিমেন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।