• মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন
Headline
মিয়ানমারে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ সিমেন্ট-সার জব্দ, আটক ২২ কুলিয়ারচরে জুয়েল হ’ত্যা: প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ওয়াদুদ ভুঁইয়ার উপহারে চেংগী নদীতে নৌকা, স্বস্তি আট-দশ গ্রামের মানুষের কালীগঞ্জে নগর মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন প্রকল্পের পরামর্শকরণ সভা-২ অনুষ্ঠিত নান্দাইলে যুবদল নেতা ফেরদৌসকে কু’পিয়ে আ’হত আটক ২ হালুয়াঘাটে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল মোকাবিলায় জরুরি সভা চালের ড্রামের ভেতর মিললো ২০৭ পিস ট্যাপেন্টাডল আটক ১ মাইঝাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আবারও ঈর্ষনীয় সফল্য কুমিল্লা সদর হাসপাতাল কক্ষে ঢুকল বৃষ্টির পানি, ভোগান্তিতে রোগীরা ঠাকুরগাঁওয়ে তিনজনের এক মাসের কা’রাদ’ণ্ড

কুমিল্লায় ধর্ষণ মামলার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

এ.কে পলাশ, কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশকাল : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

কুমিল্লা নগরীর উত্তর গাংচর এলাকার মোগলটুলি এলাকায় ভাতিজীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৩২ বছর বয়সী যুবক কাজী মোজাম্মেল হক রিফাতকে আদালত যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। আদালত একই সাথে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করেছে। রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আব্দুল হান্নান এই রায় ঘোষণা করেন। উল্লেখ্য, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলার নথি থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। তিনি পরিবারের সাথে নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর গাংচর প্রকাশ্যে মোগলটুলি এলাকায় বসবাস করতেন। তার মা কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের কর্মচারী এবং বাবা পেশায় রংমিস্ত্রি।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২০ সালের ১০ আগস্ট, প্রতিদিনের মতো কিশোরীর বাবা-মা কর্মস্থলে চলে গেলে, একই এলাকার বাসিন্দা কে এম স্বপনের ছেলে কাজী মোজাম্মেল হক রিফাত তাদের ঘরে প্রবেশ করে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে। পরে ঘটনার ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে, ২০২০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একাধিকবার ধর্ষণ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
একপর্যায়ে কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে, তিনি মায়ের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলেন। তার জবানবন্দির পর, ২০২০ সালের ১ অক্টোবর ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
মামলার পরপরই, পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত রিফাতকে গ্রেফতার করে। দীর্ঘ তদন্তের পর, ২০২১ সালের ২৮ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক মো. হারুনুর রশিদ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
মামলায় একাধিক সাক্ষীর সাক্ষ্য, চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য এবং অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেন। অবশেষে আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category