• রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০:১৩ পূর্বাহ্ন
Headline
ট্রেজারার পদে নোবিপ্রবির শিক্ষকদের উপেক্ষার চেষ্টা কোটালীপাড়া উপজেলা যুবদলকে সংগঠিত করতে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা বাগেরহাটে গতিরোধ করে মধ্যযুগীয় কায়দায় মেরে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ ভৈরবে প্রতিবেশী স্বামী-স্ত্রীর বাঁশের আঘাতে নারীর মৃ’ত্যু মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে যুবককে পিটিয়ে হ’ত্যা:গ্রে’প্তার ১ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় উদ্ধার ১৫ মোবাইল, মালিকদের হাতে তুলে দিল পুলিশ মহেশখালীতে শ্রীলঙ্কার নৌকা’সহ ২ জেলে উদ্ধার নওগাঁয় শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার , শোকের ছায়া উল্টো রথযাত্রায় ঠাকুরগাঁওয়ে হাজারো ভক্তের ঢল কুলিয়ারচরে বিএনপি নেতা জিল্লুর রহমান মাস্টারের স্মরণে আলোচনা সভা

কুমিল্লায় ধর্ষণ মামলার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

এ.কে পলাশ, কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশকাল : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

কুমিল্লা নগরীর উত্তর গাংচর এলাকার মোগলটুলি এলাকায় ভাতিজীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৩২ বছর বয়সী যুবক কাজী মোজাম্মেল হক রিফাতকে আদালত যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। আদালত একই সাথে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করেছে। রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আব্দুল হান্নান এই রায় ঘোষণা করেন। উল্লেখ্য, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলার নথি থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। তিনি পরিবারের সাথে নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর গাংচর প্রকাশ্যে মোগলটুলি এলাকায় বসবাস করতেন। তার মা কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের কর্মচারী এবং বাবা পেশায় রংমিস্ত্রি।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২০ সালের ১০ আগস্ট, প্রতিদিনের মতো কিশোরীর বাবা-মা কর্মস্থলে চলে গেলে, একই এলাকার বাসিন্দা কে এম স্বপনের ছেলে কাজী মোজাম্মেল হক রিফাত তাদের ঘরে প্রবেশ করে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে। পরে ঘটনার ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে, ২০২০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একাধিকবার ধর্ষণ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
একপর্যায়ে কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে, তিনি মায়ের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলেন। তার জবানবন্দির পর, ২০২০ সালের ১ অক্টোবর ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
মামলার পরপরই, পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত রিফাতকে গ্রেফতার করে। দীর্ঘ তদন্তের পর, ২০২১ সালের ২৮ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক মো. হারুনুর রশিদ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
মামলায় একাধিক সাক্ষীর সাক্ষ্য, চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য এবং অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেন। অবশেষে আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category