• শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন
Headline
রায়পুরে মা ও তিন কন্যাকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে নিহত ঘাতক বেলাবোতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠিত বেলকুচিতে মাধ্যমিক পর্যায়ের আন্তঃইউনিয়ন ফুটবল প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা সম্পন্ন মৌলভীবাজার সীমান্ত দিয়ে নারী শিশুসহ ৭ জনকে পুশইন প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর হস্তক্ষেপে নান্দাইলে সড়কে সংস্কার কাজ শুরু বদলির পরও কর্মস্থল ছাড়েননি তন্ময় দে চৌধুরী, উঠছে নানা প্রশ্ন মৌলভীবাজারে কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন পাঁচবিবিতে বির্তক প্রতিযোগিতার পুরুস্কার বিতরণ কুমিল্লা নগরীর কাটাবিলে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ নান্দাইলের অর্পনের বড় সাফল্য, বিভাগীয় দলে সুযোগ

জমে উঠেছে সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী কোরবানির পশুর হাট

খোরশেদ আলম খসরু, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
প্রকাশকাল : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬

সিরাজগঞ্জে জমে উঠেছে ঐতিহ্যবাহী সমেশপুরের পশুর হাট। প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে বেলকুচি উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের সমেশপুর গ্রামে বসানো হয়েছে কোরবানির পশুর বিশেষ হাট।এখানে বহু বছর যাবৎ কোরবানি উপলক্ষে বিশেষ পশুর হাট বসানো হয়।সিরাজগঞ্জ জেলাসহ আশপাশের জেলার প্রায় ১৫০/২০০ টি গ্রামের খামারি ও প্রান্তিক কৃষকেরা তাদের লালন পালনকৃত গবাদিপশু বিক্রয়ের জন্য এই হাটে আনে ভালো দাম পাওয়ার আশায়।

কারন এখানে স্থানীয় ক্রেতার পাশাপাশি সমাগম ঘটে ঢাকা,চট্টগ্রামসহ দেশের নানা প্রান্ত থেকে আশা ক্রেতার।
এলাকার কয়েক জনের সাথে কথা বলে জানা যায় প্রায় স্বাধীনতার পর থেকেই এই হাট বসে।প্রতি বছরই জেলার সবচেয়ে জমজমাট হাট হয় এটি। এ হাটে হাজার হাজার কোরবানির পশু ক্রয়-বিক্রয় হয়।
দামে ক্রেতা বিক্রেতা দুজনই খুশি থাকে।
খামারি আলতাব হোসেন কে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান এখুন পর্যন্ত প্রত্যাশিত দাম ক্রেতারা বলছেন না।একটি গরু লালন পালন করতে যে পরিমাণ দাম দাড়িয়েছে, ক্রেতারা গরু প্রতি তার চেয়ে ১০/২০ হাজার কম বলছেন। তবে তাদের আশা আমাগী সোমবার হাটে ক্রেতা সমাগম বেশি হবে এবং তারা প্রত্যাশিত দাম পাবেন।

হাট কমিটির রাজু নামক একজনের সাথে কথা বললে তিনি জানান সমেশপুর একটি ঐতিহ্যবাহী পশুর হাট। এখানে প্রতি বছর পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে শুক্রবার ও সোমবার বিশেষ হাট বসানো হয়।লাখ লাখ ক্রেতা বিক্রেতার সমাগম ঘটে।অত্যান্ত সুশৃঙ্খলভাবে হাট কমিটি এই হাট পরিচালনা করে।এখানে ক্রেতা -বিক্রেতার নিরাপত্তা থেকে শুরু করে যাবতীয় সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হয়।
বেলকুচি উপজেলা প্রশাসনও এ হাটে নিঃচ্ছিদ্র নিরাপত্তা প্রদান করে থাকেন।
নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান আমাদের বেলকুচি উপজেলার অসিফার ইনচার্জ (ওসি)মো: ইমাম জাফর স্যারের নির্দেশ ও তত্ব্যাবধানে নিরাপত্তার দিকগুলো আমরা নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে সেদিকে সচেষ্ট রয়েছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category