• সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ন
Headline
রায়পুরা প্রবাসবন্ধু ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত কুমিল্লা বুড়িচংয়ে ৩৬ কেজি গাঁজা উদ্বার। ভারতীয় নাগরিকসহ আটক-২ ভৈরবে নদী বাংলা সেন্টার পয়েন্টে ৬টি খাবার প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় সড়কের পাশে গাঁ’জা, গ্রে’প্তার মা’দক বিক্রেতা আবারও হাইকোর্টে প্রতারণার আশ্রয়, আইনজীবীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা সরকারি প্রফুল্ল চন্দ্র কলেজের ১০৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন প্রতীক্ষার অবসান, ১০ আগস্ট ঢাকা-গোপালগঞ্জ ট্রেন সার্ভিস চালু ঠাকুরগাঁওয়ে খাদ্য সচেতনতায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে সেনসিটাইজেশন প্রোগ্রাম হবিগঞ্জে লরি-ট্রাক-সিএনজির ত্রিমুখী সং’ঘর্ষ,নি’হ’ত ২ পানি নিস্কাশনের পথ খোলায় পাঁচবিবির দুই ইউনিয়নের হাজারো কৃষকের মুখে

কুড়িগ্রামে তিস্তায় শিগগিরই পাইলট প্রকল্প চালু হবে: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

মাইদুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশকাল : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬

নদীভাঙন কোনো দল মানে না”—এ মন্তব্য করে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, কুড়িগ্রামের নদীভাঙন রোধে দুটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে।

শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে কুড়িগ্রামের চিলমারী, উলিপুর, রৌমারী ও রাজীবপুর উপজেলার নদ-নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে চিলমারী বন্দর এলাকায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে টেকনিক্যাল কমিটি কাজ শুরু করেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকেও পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে।

তিনি বলেন, “তিস্তা একটি বড় প্রকল্প। একটি প্রকল্প একদিনে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। আমাদের সরকারের বয়স মাত্র পাঁচ মাস। আমাদের কিছুদিন সময় দিন। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ পাইলট প্রকল্প হিসেবে শুরু করব।”

কুড়িগ্রামের নদীভাঙন পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চিলমারী বন্দরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙনের পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়েছে। নদীভাঙন রোধ ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে দুটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, “কোনো মানুষের ঘরবাড়ি, হাট-বাজার, মসজিদ, মন্দির কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেন নদীতে বিলীন হয়ে না যায়, সে জন্য সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছে। প্রকল্পগুলো কত দ্রুত বাস্তবায়ন করা যায়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিয়ে আমরা মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন করছি।”

নদীভাঙন রোধে কোনো ধরনের দলীয় বিবেচনা করা হবে না উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “নদীভাঙন কোনো দল মানে না। ভাঙনকবলিত মানুষের পাশে সরকার রয়েছে।” ইতোমধ্যে কুড়িগ্রামের প্রায় ১০০টি ভাঙনকবলিত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে কাজ চলছে। যেখানে আরও কাজের প্রয়োজন রয়েছে, সেখানেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হবে।

পরে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী গাইবান্ধায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে চলমান দুটি প্রকল্প পরিদর্শন করবেন বলে জানান।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজার রহমান, কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুব সালেহী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনি, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. রুহুল আমিন, কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান, সদস্যসচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিব ও শফিকুল ইসলাম বেবু, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মমতাজ হোসেন লিপি, জেলা বিএনপির সদস্য সাইয়েদ আহমেদ বাবুসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category