খাগড়াছড়ির পানছড়িতে সরকারি ওএমএস কর্মসূচির চাল ও আটা নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মেসার্স জামান এন্ড ব্রাদার্সের ওএমএস ডিলার মো. নুরুজ্জামানের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগ রয়েছে, প্রতি ৫ কেজি চালের মধ্যে প্রায় ১৫০ গ্রাম এবং ৫ কেজি আটার মধ্যে প্রায় ২০০ গ্রাম কম দেওয়া হচ্ছে। এতে নিম্নআয়ের মানুষ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
ডিলার মো. নুরুজ্জামান বলেন, আটায় কোনো সমস্যা নেই। মূলত চালের বস্তায় ঘাটতি পাওয়া যায়। প্রতিদিন ১ হাজার কেজি চালের বরাদ্দের মধ্যে ৫-৬টি ৫০ কেজির বস্তায় ২-৩ কেজি পর্যন্ত কম থাকে। এ কারণে গ্রাহকপ্রতি ৫০-১০০ গ্রাম কম পড়ছে।
এদিকে খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) গোলাম মোস্তফা বলেন, গুদাম থেকে পণ্য বুঝে নেওয়ার পর কম পাওয়া গেলে এর দায়ভার গুদাম কর্তৃপক্ষ নেবে না।
ভুক্তভোগীদের দাবি, ওএমএসের পণ্য সঠিক পরিমাণে বিতরণ করা হচ্ছে কি না, তা সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে বিতরণকালে নিয়মিত ওজন যাচাই ও কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।