সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় গরু চুরি ও ডাকাতি ঠেকাতে প্রশাসনের ব্যাতিক্রমি নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাঁশকল পদ্ধতিতে কমছে চুরি ডাকাতি। বাঁশকল নিরাপত্তা পদ্ধতিতে প্রশাসনের সাথে গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় সচেতন মহল একযোগে কাজ করে যাচ্ছে এতে এলাকায় চুরি ডাকাতির কোন সুযোগই নেই বলে দেখা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, প্রতিবছরই ঈদুল আযহা উপলক্ষে কুরবানির পশুর হাটের আগেই অনেক গরু চুরি ও ডাকাতির ঘটনা ঘটতো, দেখা গেছে একজন সাধারণ কৃষক সখ ও অতি আদরের সহিত কিছু টাকা উপার্জনের আশায় একটি গরু খুব যত্ন সহকারে লালন পালন করছে ঈদের সামনে বিক্রি করবে বলে, কিন্তু সেই গরু হটাৎ চুরি হয়ে গেছে, তখন ঐ পরিবারের কি অবস্থা দাড়ায়, ঈদ যদিও খুশির দিন কিন্তু সেই পরিবারের জন্য হয় বেদনাদায়ক। এজন্য প্রশাসনের এই নতুন উদ্যোগ ব্যাতিক্রমি নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাঁশকল ডিউটি।
এ বিষয়ে বেলকুচি থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইমাম জাফর এর নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, প্রতিবছরই ঈদের সামনে চুরি ডাকাতি একটু বেশি হয়, এজন্য চুরি ডাকাতি ঠেকাতে রাত ৮ টা থেকে ভোর ৬ টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ১১টি বাঁশকল পদ্ধতিতে প্রশাসনের পাশাপাশি গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সমেশপুর বাসস্ট্যান্ড, কাজীপুরা, মাইঝাইল, আধাচাকি, মবুপুর ঘাট, দৌলতপুর পিরের মোড়, দৌলতপুর বাশঁতলা, ধুকুরিয়াবেড়া, দেলুয়া বাজার, সগুনা চৌরাস্তা, সেরনগর বাজার, এই মেইন সড়কের উপরে বাঁশ বেধে রাতভর ডিউটির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে চুরি অনেকটাই কমে গেছে। আমরা প্রতিজ্ঞা করেছি যে এবছর বেলকুচিতে ঈদের সামনে একটা গরুও চুরি হতে দেবনা, এজন্য ঈদ পর্যন্ত আমরা এই বাঁশকল ডিউটি ধারাবাহিক চলমান রাখবো, এ পর্যন্ত কোন গরু চুরির ঘটনা ঘটে নি, আশা করছি এভাবে বাঁশকল ডিউটি চলমান থাকলে পাশাপাশি স্থানীয়দের সহযোগিতা থাকলে কোন গরু চুরির ঘটনা ঘটবেনা বলে আশা করছি।