• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫০ অপরাহ্ন
Headline
টুঙ্গিপাড়ায় দুই খাবার হোটেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা সরকারি জায়গায় পাকা স্থাপনা নির্মাণ, টুঙ্গিপাড়ায় প্রশাসনের নীরবতা পাঁচবিবিতে বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ কুলিয়ারচর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হারুনুর রশিদের গণসংযোগ কুলিয়ারচরে সালুয়া ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা বিএনপি নেতা দেলোয়ারের পাটকেলঘাটায় পরিবহনের চাপায় এক সাইকেল আরোহীর মৃ-ত্যু শিক্ষক থাকা সত্বেও অফিসের কাজ ছেড়ে নিয়মিত ক্লাস নেন অফিস সহকারী দুর্গাপূজায় শান্তি-সম্প্রীতি রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ রাউজান কাঁচি-চিরুনিতে ৫৫ বছর, ৭০-এও থামেননি প্রতুল শীল বর্ণাঢ্য আয়োজনে সাংবাদিক রফিকুল ইসলামের জন্মদিন পালিত

নাগেশ্বরীতে বন্যার পানি কমতেই ভাঙনের থাবা; বিলীন ফসলি জমি সহ নানা স্থাপনা

মো. নুরনবী সরকার, নাগেশ্বরী(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশকাল : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি কমে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও ভয়াবহ আকার নিয়েছে নদীভাঙন। জেলার বিভিন্ন নদীতীরে ৩৬টি পয়েন্টে তীব্র ভাঙনে প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও স্থাপনা। একদিকে ঘর হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে হাজারো পরিবার, অন্যদিকে বন্যার পানিতে তলিয়ে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শত শত হেক্টর কৃষিজমি।

বুধবার (১ জুলাই) সকাল ৯টার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী দুধকুমার নদীর পাটেশ্বরী পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ২৭ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে, সেখানেও পানি হ্রাস পাচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র নদীর চিলমারী পয়েন্টে পানির স্তর বিপৎসীমার ৭৬ সেন্টিমিটার নিচে নেমেছে এবং কমতির ধারায় রয়েছে। অন্যদিকে তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে পানি সামান্য বাড়লেও তা এখনও বিপৎসীমার ৩১ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। ফলে জেলার প্রধান চারটি নদ-নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত রয়েছে।
তবে পানি নামার সঙ্গে সঙ্গেই ধরলা, দুধকুমার তীরজুড়ে শুরু হয়েছে ভয়াবহ ভাঙন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের ধাউরারকুটি, পাইকেরছড়া ইউনিয়নের পাইকডাঙ্গা, নাগেশ্বরীর বামনডাঙ্গা এলাকা।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের ৪৯৯ হেক্টর জমির পাট, চীনাবাদাম, আউশ, আমনের বীজতলা ও মরিচের ক্ষেত বন্যার পানিতে আক্রান্ত হয়েছে। এতে কৃষকদের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল হাসান বলেন, উজানে ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে আবারও নদ-নদীর পানি বাড়তে পারে। তাই নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের মানুষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং ভাঙন মোকাবেলায় অতিরিক্ত জিও ব্যাগ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category