শিরোনাম :
নবীগঞ্জে ১৩৫ বোতল ইসকাফসহ তিনজন গ্রেপ্তার, পিকআপ জব্দ শায়েস্তাগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি জামাল গ্রেপ্তার ভৈরবে ইউপি চেয়ারম্যান রিপনের পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মহানন্দা সেতু টোলমুক্ত করার দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানববন্ধন জেলেদের ভাগ্য পরিবর্তনে ৭ দফা দাবি, সোচ্চার সালা উদ্দিন মাঝি গোসাইরহাটে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার টুঙ্গীপাড়ায় নির্বাচন অফিসে অনিয়মের ছড়াছড়ি, সেবা না পেয়ে বিপাকে মানুষ হবিগঞ্জের হাওরাঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে জেলার হাজার হাজার কৃষক তাদের একমাত্র বোরো ফসল হারানোর শঙ্কায় পড়েছেন। ‎ ‎বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে বানিয়াচং উপজেলার সুজাতপুরের দত্তগাঁও এলাকায় খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে ও উপচে পানি হাওরে প্রবেশ করে। এতে মুহূর্তের মধ্যে শত শত একর ফসলি জমি প্লাবিত হয়। ‎ ‎জেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক জানান, ভারী বর্ষণে ইতোমধ্যে প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এখনো প্রায় ৩০ শতাংশ ধান কাটার বাকি রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে অবশিষ্ট ফসলও পুরোপুরি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ‎ ‎জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ছায়েদুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হবিগঞ্জে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে বলে তিনি জানান। ‎ ‎সরেজমিনে বানিয়াচং, আজমিরীগঞ্জ ও লাখাই উপজেলার বিভিন্ন হাওরে দেখা গেছে, কৃষকরা কোমর ও বুকসমান পানিতে নেমে ধান কাটছেন। কোথাও ছোট নৌকা ব্যবহার করে কাটা ধান নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে বাতাসে ধানগাছ পড়ে যাওয়ায় ফসল সংগ্রহে বাড়তি সময় ও শ্রম ব্যয় হচ্ছে। ‎ ‎ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ, পানি বৃদ্ধির বিষয়ে আগাম সতর্কতা যথেষ্ট না থাকায় তারা প্রস্তুতি নিতে পারেননি। অনেক এলাকায় কাটা ধান পানিতে ভিজে নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ‎ ‎কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, নিচু এলাকার ধান দ্রুত কাটার জন্য কৃষকদের নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। তবে শ্রমিক সংকট, শুকানোর জায়গা ও পরিবহন ব্যবস্থার অভাবে ফসল ঘরে তুলতে কৃষকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। ‎ ‎বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে হাওরাঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। জ্বালানি সংকটে বিপাকে মোটরসাইকেল মেকানিকরা, স্থবির পার্টস ব্যবসা অষ্টগ্রামে হাওরে ধান ডুবল শিলাবৃষ্টিতে, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে প্রশাসন ও বিএনপি
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৪:১২ পূর্বাহ্ন

দৌলতপুর বিলগাথুয়া গ্রামে বিএনপির উদ্যোগে কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মোঃ সাইফুল ইসলাম / ১২১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৫

দৌলতপুর( কুষ্টিয়া) প্রতিনিধিঃকুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড বিলগাথুয়া গ্রামে ওয়ার্ড বিএনপির
আয়োজনে কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে বিলগাথুয়া গ্রামে ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম বিশ্বাস এর
সভাপতিত্বে কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথি দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা বলেন,
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান আমাকে ফোন করে বলেছেন আপনি নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন, মহিলা
কর্মীদের মাঠে নামান , মানুষের দুয়ারে দুয়ারে যাওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেন মানুষের মাঝে রাষ্ট্র মেরামতে ৩১দফা সম্বলিত লিফলেট
বিতরণের মাধ্যমে মানুষকে জানাতে হবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি আগামীর বাংলাদেশ কিভাবে নির্মাণ করতে যাচ্ছেন,

কেমন হবে রাষ্ট্র কাঠামো। জনাব বাচ্চু মোল্লা বলেন, আমাদের নেতা ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের কারনে দীর্ঘ ১৭ বছর ইউরোপ
কান্ট্রিতে থাকায় তিনি রাজনৈতিকভাবে অনেক সমৃদ্ধ হয়েছেন, আমার বিশ্বাস তিনি আগামীর বাংলাদেশকে ইউরোপীয় ধাঁচে গড়ে
তুলবেন । তাই নিজেদের মধ্যে সকল কলহ, ভুল বোঝাবুঝি নিরসন করে ধানের শীষ প্রতীকেকে ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী করে
জনাব তারেক রহমানকে দৌলতপুরের আসনটি উপহার দিতে এখন থেকে নিরলসভাবে কাজ করে যেতে হবে।

কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত
থেকে বক্তব্য রাখেন দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ বিল্লাল হোসেন, , থানা বিএনপির সাবেক
সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল করিম, সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আজমল হোসেন চেয়ারম্যান,সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক
আলহাজ্ব মোঃ গোলাম মোস্তফা, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আতাউর রহমান,উপজেলা কৃষকদলের সাবেক
সাধারণ সম্পাদক এম ফরজউল্লাহ , প্রাগপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ আসাদুজ্জামান সোনা মেম্বার, সাধারণ সম্পাদক
মিজানুর রহমান মিজান মাস্টার, ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাসুদুজ্জামান রুবেল, যুগ্ম আহ্বায়ক বেনজির আহমেদ, মাহবুবুর রহমান প্রমুখ ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

হবিগঞ্জের হাওরাঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে জেলার হাজার হাজার কৃষক তাদের একমাত্র বোরো ফসল হারানোর শঙ্কায় পড়েছেন। ‎ ‎বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে বানিয়াচং উপজেলার সুজাতপুরের দত্তগাঁও এলাকায় খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে ও উপচে পানি হাওরে প্রবেশ করে। এতে মুহূর্তের মধ্যে শত শত একর ফসলি জমি প্লাবিত হয়। ‎ ‎জেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক জানান, ভারী বর্ষণে ইতোমধ্যে প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এখনো প্রায় ৩০ শতাংশ ধান কাটার বাকি রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে অবশিষ্ট ফসলও পুরোপুরি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ‎ ‎জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ছায়েদুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হবিগঞ্জে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে বলে তিনি জানান। ‎ ‎সরেজমিনে বানিয়াচং, আজমিরীগঞ্জ ও লাখাই উপজেলার বিভিন্ন হাওরে দেখা গেছে, কৃষকরা কোমর ও বুকসমান পানিতে নেমে ধান কাটছেন। কোথাও ছোট নৌকা ব্যবহার করে কাটা ধান নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে বাতাসে ধানগাছ পড়ে যাওয়ায় ফসল সংগ্রহে বাড়তি সময় ও শ্রম ব্যয় হচ্ছে। ‎ ‎ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ, পানি বৃদ্ধির বিষয়ে আগাম সতর্কতা যথেষ্ট না থাকায় তারা প্রস্তুতি নিতে পারেননি। অনেক এলাকায় কাটা ধান পানিতে ভিজে নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ‎ ‎কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, নিচু এলাকার ধান দ্রুত কাটার জন্য কৃষকদের নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। তবে শ্রমিক সংকট, শুকানোর জায়গা ও পরিবহন ব্যবস্থার অভাবে ফসল ঘরে তুলতে কৃষকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। ‎ ‎বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে হাওরাঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।